নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - প্রথমে স্ত্রীর গলা কেটে খুন, এরপর তার বিভিন্ন দেহাংশ কেটে ব্যাগে ভরে দিব্যি রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্বামী নিজে। না, এ কোনো সাইকো ক্রাইম- থ্রিলার বা কোনো ছবির প্লট নয়। বাস্তবে এমনই হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি এলাকার বাসিন্দারা। আতঙ্কে কুঁকড়ে রয়েছেন তারা।
সূত্রের খবর, ঘটনার সূচনা হয় শুক্রবার সকাল ২২ আগস্ট জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির ব্যাঙকান্দি গ্রাম থেকে। গ্রামের বাসিন্দা দীপালি রায়, ৪৫ বছরের গৃহবধূ। সেদিন সকালে প্রতিবেশীরা হঠাৎ খবর পেলেন দীপালির খোঁজ মিলছে না। তার স্বামী, রমেশ রায় (৪৭), আচমকা অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করেছে। কেউ প্রথমে ভাবেনি কিছু। কিন্তু তারপর দেখা গেল রমেশ হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। গ্রামের এ বাড়ি, ও বাড়ি, পথের ধারে। আর সেই ব্যাগ থেকে বের করে আনছে এমন কিছু, যা দেখে গ্রামবাসীদের বুক কেঁপে ওঠে। ব্যাগের ভেতরে স্ত্রীর লিভার!
চোখে মুখে একটুও অনুতাপ নেই। যেন এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।লোকে আঁতকে উঠছে, কেউ কাছে যাচ্ছে না। শিশুরাও চুপ হয়ে মায়ের আঁচলে মুখ লুকিয়ে ফেলেছে। জানা যায়, রমেশ এরপর রেললাইনের ধার ধরে প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে যায়। মাঝেমধ্যেই ব্যাগ খুলে আবার লিভারটা বের করে। অবশেষে গ্রামবাসীরা পুলিশে খবর দেন। পঞ্চায়েত প্রধান নীলিমা রায় নিজে গিয়ে দেখেন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি।
পুলিশ তৎক্ষণাৎ তল্লাশি শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাঁশঝাড়ের আড়াল থেকে ধরা পড়ে রমেশ। তখনও সে স্ত্রীর শরীরের অংশ নিয়ে ঘুরছে। তারা জানায়, রমেশ সম্পূর্ণ মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় আছে।কেন সে এমন করল, কী কারণে স্ত্রীকে খুন করল সেসব রহস্য এখনও উন্মোচিত হয়নি।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর