নিজস্ব প্রতিনিধি, বীরভূম - সপ্তম শ্রেণির এক পড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় এখনও থমথম করছে রামপুরহাট। বুধবারের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্কুলপাড়া জুড়ে ভয়ের আবহ, অভিভাবকদের চোখে উদ্বেগের ছাপ সৃষ্টি হয়। ক্রমে সেই ক্ষোভ আরও তীব্র রূপ নেয় যখন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ঘটনাস্থলে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে।

স্থানীয় সূত্রে খবর , এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে রামপুরহাট থানার সামনে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিতে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।গতকাল রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের বারোমেসিয়া গ্রাম থেকে সপ্তম শ্রেণির এক আদিবাসী কিশোরীর পচা গলা দেহ উদ্ধার হয়। দেহটি একটি বস্তার মধ্যে পড়েছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ এলাকার এক স্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে এদিন রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ৯ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
এর পরেই বিজেপির জেলা সাংগঠনিক সভাপতি ধ্রুব সাহার নেতৃত্বে থানার সামনে জড়ো হন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, এই খুনের সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত। তাই শুধু একজনকে গ্রেপ্তার করে দায় এড়ানো যাবে না। দ্রুত সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ থানার গেটের সামনে ব্যারিকেড বসায়। কিন্তু বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
শেষ পর্যন্ত বিজেপি কর্মীরা থানার সামনেই বসে পড়ে ধর্নায়। পুলিশের কড়া নজরদারিতে অবস্থান বিক্ষোভ কিছু সময় ধরে চলে। নাবালিকা খুনের সঠিক তদন্ত ও সকল দোষীর শাস্তি না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা অভিযোগ করেন , তৃণমূল ও পুলিশ প্রশাসন ইচ্ছে করেই প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, নানুরের একাধিক ছাত্রী এখনও নিখোঁজ, অথচ পুলিশ কাউকে প্রতিবাদ করার সুযোগ দেয়নি। আদিবাসী ওই ছাত্রীর অকালমৃত্যুতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ধ্রুব সাহা আরও অভিযোগ করেন, গ্রেফতার হওয়ার পরও অভিযুক্ত শিক্ষককে কেন ছেড়ে দেওয়া হল? এর স্পষ্ট জবাব পুলিশকে দিতে হবে। তাঁর অভিযোগ, একাধিক তৃণমূল-নিয়ন্ত্রিত গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে এই ঘটনার যোগ রয়েছে, এত বড় ঘটনা একজনের পক্ষে সম্ভব নয়, নেপথ্যে বহুজনের হাত আছে। তাঁর কথায়, “চোখে পট্টি বেঁধে আমাদের চুপ করানো যাবে না।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়