নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলি - সিঙ্গুরে নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ক্রমশ রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে মৃতদেহ দখল ঘিরে ছড়াল উত্তেজনা। মৃতদেহ দখল নিয়ে বিজেপি ও সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তুমুল হইচই ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
সূত্রের খবর, গত বুধবার রাতে সিঙ্গুরের নার্সিংহোমে কর্মরত দীপালির মৃত্যু হয়। মৃতার বাবার অভিযোগ, রাত ১১টার দিকে নার্সিংহোম থেকে ফোনে জানানো হয়, তাঁর মেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। কিন্তু নার্সিংহোমে পৌঁছে তাঁরা দেহ পাননি। তাঁদের জানানো হয়, পুলিশ দেহ নিয়ে গেছে। পরিবারের অভিযোগ- এটি আত্মহত্যা নয়, খুন।
শুক্রবার শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য দীপালির দেহ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আনা হয়। দেহ পৌঁছোতেই বিজেপি ও সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা সেখানে উপস্থিত হয়ে দেহের অধিকার নিয়ে বচসায় জড়ান। পরিস্থিতি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছায়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
পরিবারের অভিযোগ, আমাদের জোর করে কলকাতায় আনা হয়েছে। আমরা চাই ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ভিডিওগ্রাফি করে ময়নাতদন্ত করা হোক। ওনারা বলেছে এখানে ভালো ভাবে তদন্ত হবে। আমরা এইমস অথবা কমান্ডে চেয়েছিলাম। পুলিশের ওপর আমাদের কোনো ভরসা নেই।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়