নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - চূড়ান্ত প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ফের গণ্ডগোল। সাধারণ মানুষ তো বটেই দেশের মুখ উজ্জ্বল করা ব্যক্তিদের নামও বিচারাধীন , আবার কারোর নামের পাশে ডিলিটেড।।একাধিক তৃণমূলের উচ্চপদস্থ নেতৃত্বের নামও বাদ হয়েছে এই তালিকায়। এবার তারই প্রতিবাদে শান্তিপুরে প্রতিবাদ মিছিলে নামল তৃণমূল।

সূত্রের খবর , নদীয়া জেলায় শুনানিতে ডাক পাওয়া ৬২ হাজার ৩০০ ভোটারের নাম ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। বৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন সহ বিজেপিকে তুলধনা করছে শাসক দলের কর্মীরা। তাদের দাবি , বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের এই SIR সম্পূর্ণ চক্রান্ত। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে চলতে চাইছে কমিশন। বাংলার ভোটারদের ভোট অধিকার নিয়ে ছিনিবিনি খেলতে চাইছে কেন্দ্রশাসিত বিজেপি। এই বাংলায় একটিও বৈধ ভোটারের নাম আমরা বাদ দিতে দেবে না বলে দাবি তৃণমূলের।
SIR চক্রান্ত নিয়ে আগামী ৬ তারিখ মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসতে চলেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে নদীয়া জেলায় পথে নামল তৃণমূল। প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ। শান্তিপুর বিধানসভার বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী সহ এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব।

শান্তিপুরের এক তৃণমূল নেতৃত্ব মনোজ সরকার বলেছেন , "বিধানসভা ভোটের আগে যেভাবে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে তার ফল ভুগবে বিজেপি। সবটাই বিজেপির চক্রান্ত। আমরা এই প্রতিবাদ চালিয়ে যাব। যতদিন না সবার নাম উঠছে ততদিন আমরা প্রতিবাদ মিছিল করবে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী পথে নামতে চলেছ। আমরা ওনার দেখানো পথে হাঁটব। সবটাই বিজেপির চক্রান্ত।"

শাসক দলের নেতা বিক্রমাদিত্য বলেছেন , "এটা পরিকল্পিত একটা ঘটনা। বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ায় সকলেই কান্নাকাটি শুরু করেছে। এভাবে চোখের জল দেখতে পারছিনা আমরা। বিজেপি ও ইলেকশন কমিশনকে ধিক্কার জানাই। আমরা কোন বৈধ ভোটার বাদ হতে দেব না।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়