নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে ফের অশান্তি। অভিযোগ, রবিবার দুপুরে শীতলকুচি ব্লকের গোলেনাওহাটি পঞ্চায়েতের মিরাপাড়া সীমান্ত সংলগ্ন মাঠ থেকে কৃষক কৃষ্ণকান্ত বর্মনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গোটা এলাকা ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।
সূত্রের খবর , রবিবার দুপুরে শীতলকুচি ব্লকের গোলেনাওহাটি পঞ্চায়েতের মিরাপাড়া সীমান্ত সংলগ্ন মাঠে ধান রোপণের কাজ করছিলেন স্থানীয় কৃষক কৃষ্ণকান্ত বর্মন। সেই সময় গবাদি পশু ঢুকে পড়ে তার জমিতে। প্রতিবাদ করতেই ওপার থেকে কয়েকজন দুষ্কৃতী সীমান্ত পেরিয়ে এসে কৃষ্ণকান্তবাবুকে ধরে টেনে নিয়ে যান ওপারে। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত অন্য কৃষকেরা ভয়ে পালিয়ে যান।
এরপর খবর পেয়ে বিএসএফের ১৫৭ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ান সহ শীতলকুচি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিএসএফ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়। এমনকি বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় , শীঘ্রই ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকা হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলে একই ব্লকের পশ্চিম শীতলকুচি গ্রাম থেকেও এক কৃষককে একইভাবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। ২৯ দিনের আলোচনার পর তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়। ফলে ফের এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি সীমান্তবর্তী মানুষকে আতঙ্কিত করেছে।
এপ্রসঙ্গে অপহৃত কৃষকের ভাগ্নে সূর্যদয় বর্মন জানান , “ধানখেতে মামা কাজ করছিলো। সেসময় ধন খেতে গরু ঢোকে। মামা প্রতিবাদ করতেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা তাকে টেনে নিয়ে যায় ওপারে বাংলাদেশে। আমাদের সরকারের কাছে আবেদন যত দ্রুত সম্ভব অনেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হোক। আমরা অবিলম্বে ওনার বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছি।''
এলাকাবাসীরা এপ্রসঙ্গে জানান , ''সীমান্তে টহলদারি আরও জোরদার করতে হবে। এমনকি গবাদি পশুর অনুপ্রবেশ রুখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নয়তো এরকম ঘটনা ঘটতেই থাকবে। সীমান্ত প্রশাসনের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও বিএসএফ সহ পুলিশ বাহিনী আমাদের জানিয়েছেন তদন্ত চলছে। প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।''
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়