নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - আকাশে পাঁচ রাউন্ড গুলির শব্দে শুরু হয় দুর্গোৎসব। সময়ের সঙ্গে জমিদারি হারিয়ে গেলেও টিকে আছে শতাব্দীপ্রাচীন রীতি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এই পুজো, যেখানে আবেগ আর ঐতিহ্য মিশে একাকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , দীর্ঘ ২২৫ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে মালদহের হবিবপুরের তিলাসন এলাকার সিঙ্গাবাদ জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজো। ইতিহাস বলে , সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে ব্যবসার সূত্রে বাংলায় এসেছিলেন অবোধ নারায়ণ রায়। ডালের ব্যবসা করতে গিয়ে মালদহে আসা, পরে নৌকাপথে সেই ডাল পৌঁছত ঢাকা, রাজশাহী ও কলকাতার খিদিরপুর বন্দরে। ব্যবসার সুবিধার জন্য তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে প্রায় তিন হাজার টাকায় জমিদারি কিনে নেন। জমিদার এলাকায় মঙ্গলের উদ্দেশ্যে তিনজন সাধুর পরামর্শে শুরু করেন দুর্গাপুজো। সেই থেকে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী এই পূজা, যা আজও অটুট।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় জমিদারির সিংহভাগ অংশ পড়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ওরফে বর্তমান বাংলাদেশ। তবুও সীমান্তের কাঁটাতার থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশাল রায় জমিদার বাড়ি। সময়ের সঙ্গে জমিদারির পতন হয়েছে, সুবিশাল অট্টালিকায় ধরেছে ফাটল। তবে ঐতিহ্য হারায়নি। আজও সেই রীতিনীতি মেনেই দুর্গাপুজোর আয়োজন হয় এখানে।

প্রথা অনুযায়ী, সপ্তমীর দিন পুনর্ভবা নদী থেকে জল আনা হয়, সেই সময়ই আকাশে গুলি চালিয়ে হয় পুজোর সূচনা। উত্তরপ্রদেশের মৈথিলী ব্রাহ্মণরা এই পুজোর সমস্ত দায়িত্ব সামলান। দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জন হয় পুনর্ভবা নদীতেই। পাশাপাশি চারদিন ধরে থাকে পাত পেড়ে খাওয়ার ব্যবস্থা, যাতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় জমান মানুষ। ব্রিটিশ আমল থেকেই জনপ্রিয় এই পুজোতে স্বাধীনতার পর বহু বছর সীমান্তের ওপার থেকেও মানুষ আসতেন। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা আর সম্ভব নয়, তবে স্থানীয়দের আবেগে এখনও উজ্জ্বল এই পুজো।

এবারও দুর্গোৎসব ঘিরে জমিদার বাড়িতে শুরু হয়েছে সাজসজ্জার প্রস্তুতি। প্রতিমা গড়ার কাজ চলছে জোরকদমে। সীমান্তের ধারে ঐতিহ্যবাহী এই পুজো ঘিরে এখন অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন তিলাসনের মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু রায় জানান, “এই পুজো আমাদের গর্ব। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমরা এই ঐতিহ্যকে আগলে রেখেছি। গুলি চালানোর শব্দ শুনলেই বোঝা যায় দেবী দুর্গা আমাদের ঘরে এসেছেন।”
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর