নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - রাতের অন্ধকারে রেললাইনের পাশে পড়ে থাকতে দেখা গেল এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ।ঘটনা জানাজানি হতেই প্রবল আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। রাতেই স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। কিন্তু একটাই প্রশ্ন উঠে আসছে, ওই মহিলার মৃত্যু কি খুন, আত্মহত্যা নাকি নিছক দুর্ঘটনা?
সূত্রের খবর, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতের। পুলিশ জানিয়েছে, মহেশতলা থানার সন্তোষপুর পাহাড়পুর রোডের রেললাইনের পাশে এক মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ স্পষ্ট। মুহূর্তেই খবর যায় মহেশতলা থানায়। এরপর মহেশতলা থানার পুলিশ ও জিআরপি গিয়ে মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতদেহের পাশে একটি ব্যাগ পাওয়া গিয়েছে। সেই ব্যাগ থেকে মোবাইল চার্জার ও আধার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। আধার কার্ড থেকেই জানা যায়, মৃতার নাম রিঙ্কু সমাদ্দার (৩৯)। তিনি কলকাতার যাদবপুরের বাসিন্দা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রিঙ্কু দেবীর স্বামী কর্মসূত্রে মুম্বইয়ে থাকেন। তিনি স্বামীর অনুপস্থিতিতে যাদবপুরে বাপের বাড়িতেই থাকতেন।
কিন্তু কীভাবে যাদবপুরের বাসিন্দা রিঙ্কু সমাদ্দার মহেশতলার সন্তোষপুরের রেললাইনের ধারে এলেন? এটা কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি খুন করে দেহ ফেলে রাখা হয়েছে সেখানে? নাকি তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই রিঙ্কু দেবীর পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে। পাশাপাশি ঘটনার সময় ওই এলাকা দিয়ে যাওয়া ট্রেনের চালক, গার্ড বা প্রত্যক্ষদর্শীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল ও দেহ পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে পুলিশ। মহিলার রহস্যমৃত্যুর তদন্তে নেমেছে মহেশতলা থানার পুলিশ ও জিআরপি।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়