নিজস্ব প্রতিনিধি ,নদীয়া - রাজ্যজুড়ে চলছে SIR প্রক্রিয়া।এরইমধ্যে ভোটার তালিকা প্রকাশের পর একের পর এক জীবিত ভোটারকে ‘মৃত’ বলে ঘোষণা।এমনকি ভোটারদের নাম ডিলিট হওয়ার ঘটনাও সামনে আসছে। তাতে সমস্যায় পড়েছে বহু মানুষ।
স্থানীয় সূত্রের খবর,রাণাঘাট পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৯০ ঊর্ধ্ব গঙ্গাবালা কর্মকারের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা।২০০২ সাল থেকে নিয়মিত ভোট দিলেও ২০২৫ সালের সংশোধিত তালিকায় তাঁর নাম নেই।নির্বাচন কমিশনের পোর্টালেও তাঁর ভোটার কার্ডকে ‘অস্তিত্বহীন’ দেখানো হচ্ছে। হঠাৎ মায়ের নাম উধাও দেখে হতবাক তার ছেলে অরুণ কর্মকার।
মৃত ভোটার বলে দাবি করা গঙ্গাবালা কর্মকার জানিয়েছেন ,"২০০২ থেকে আমি ভোট দিচ্ছি ,যখনই ভোট হয় আমি দিতে যাই।এমনকি ২০২৪ সালেও ভোট দিয়েছি।আমি বুঝতে পারছি না আমার নাম কেন কাটলো।৬০ বছর ধরে এখানে থাকছি এরকম আগে হয়নি।"
গঙ্গাবালা কর্মকারের পুত্র অরুণ কর্মকার জানিয়েছেন,"এবার আমাদের বাড়িতে BLO যে ভোটার তালিকা নিয়ে এসেছে তাতে আমার মায়ের নামের পাশে 'ডিলিট' বলে স্ট্যাম্প মেরে দিয়েছে।মায়ের নাম নাকি মৃত বলে দেখাচ্ছে।কিন্তু আমার মা বর্তমানে বেঁচে রয়েছে ,সবল ও সুস্থ রয়েছে।তাছাড়া ওনার বৌমার হাত ধরে প্রতিবারই উনি ভোট দিতে যান।BLO আমাদের জানিয়েছেন এই পর্বটা মিটে গেলে তিনি নিজে দায়িত্ব করে ব্যাপারটি দেখবেন।"
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর