নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - বাঙালিদের ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। পূজার্চনায় দেখা যায় নানাধরণের রীতিনীতি। আসলে ১৩ পার্বণের থেকেও হয় বেশিকিছু। দেব দেবীর আরাধনায় মেতে থাকেন বাঙালিরা। তেমনই পুজোর একটি নিয়ম দেওদেখা পর্ব। বড় দেবীর পুজোয় রাজ আমলের এই দেওদেখা রীতি পালন করা হয়। মঙ্গলবার ঠিক তেমনভাবেই কোচবিহারের বড় দেবীর পুজোয় হল দেওদেখা পর্ব।

দেওদেখা রাজ আমলের একটি প্রাচীন প্রথা। যেই প্রথায় কোশাকুশির জ্বলে দেবী মায়ের মুখ দর্শন করা হয়। এই রীতি মেনে বড় মায়ের মুখ দর্শন করেন বোর্ডের সকল কর্তারা।কোচবিহারের বড় দেবীর মন্দিরে এই পুজো করা হয়।। দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের পক্ষ থেকেই এই পুজোর ব্যবস্থা করা হয়। এই পুজোর মুখ্য উদ্যোক্তা ছিলেন বোর্ডের সভাপতি তথা কোচবিহারের সম্মানিত জেলা শাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। এছাড়াও পুজোয় উপস্থিত ছিলেন কোচবিহারের সদর মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় , বোর্ডের বড়বাবু জয়ন্ত চক্রবর্তী।

প্রত্যেক বছরই এই নিয়ম পালন করে বড় দেবীর পুজো করা হয়। এবছরও তার অন্যথা হয়নি। শুধু ওই দিনই নয় দুর্গাপুজোর প্রত্যেকটি দিনেই অনেক নিয়মনিষ্ঠা পালন করা হয়। এদিন পুজোর পর কোচবিহার জেলাশাসক অরবিন্দ মিনা সকলের উদ্দেশ্যে মঙ্গল কামনা করেছেন। কোচবিহারবাসীর সুখ শান্তি সমৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই প্রার্থনা করেছেন। শুধু তাই নয় , জেলাবাসীকে শারদীয়ার শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়