নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - কালীপুজোর রাতে বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মহিলা ও শিশুদের মারধরের অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বাংলোর সামনে পথ অবরোধে নামেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার ১০ জন।
সূত্রের খবর, ঘটনার সূত্রপাত সোমবার রাতে, কালীপুজোর সময়। অভিযোগ, পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের বাংলোর বাইরে কিছু স্থানীয় বাসিন্দা বাজি ফাটাচ্ছিলেন। তাতে অসুবিধা হচ্ছিল পুলিশ সুপারের পোষ্য কুকুরদের। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে পরিস্থিতি। অভিযোগ, হাফপ্যান্ট, গেঞ্জি এবং মাথায় ফেট্টি বেঁধে নিজেই রাস্তায় নেমে বাজি ফাটানো স্থানীয়দের উপর লাঠিচার্জ করেন পুলিশ সুপার। এতে বেশ কয়েকজন মহিলা ও শিশু আহত হন। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে চোট লাগে বলে অভিযোগ পরিবারের পক্ষ থেকে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা কোচবিহারের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রেলগুমটি এলাকায় পুলিশ সুপারের বাংলোর সামনে পথ অবরোধে বসেন। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলতে থাকে, পুলিশের সঙ্গে বচসাও হয়। অবশেষে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ১০ জনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের মধ্যে এক আইনজীবী মহিলাও রয়েছেন।
বুধবার ধৃতদের কোচবিহার আদালতে পেশ করা হলে তিনজন মহিলার জামিন মঞ্জুর করে আদালত। তবে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজতে ও দুজনকে জেলা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদিও মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভাবে অস্বীকার করেছেন পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য। তিনি সাফাই দিয়ে জানান, অনেক মধ্যরাত পর্যন্ত বাজি ফাটানো হচ্ছিল। পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে মানা করা হলেও তারা শোনেনি। পরে সে নিজে গিয়ে কথা বলে।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর