নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - পুজোর আগে শহর সাজানোর প্রস্তুতি। সেই কারণেই রামপুরহাট শহরের ফুটপাত থেকে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ অভিযানে নামে প্রশাসন। আর সেই অভিযান ঘিরেই ডাকবাংলাপাড়া এলাকায় ছড়ায় প্রবল উত্তেজনা। আচমকা দোকান ভাঙার চেষ্টা শুরু হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ব্যবসায়ীরা। মুহূর্তে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে আচমকাই বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিয়ে জেসিপি মেশিন নিয়ে দোকান ভাঙচুরের চেষ্টা শুরু করে প্রশাসনের কর্মীরা। প্রশাসনের তরফে বহুদিন ধরেই ওই অঞ্চলের ফুটপাতে বসা ব্যবসায়ীদের উঠে যাওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে পশু চিকিৎসালয়ের দেওয়ালের পাশে যাঁরা দোকান বসাতেন, তাঁদের স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, সরকারি নির্দেশ অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

আচমকা এই পদক্ষেপে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ফুটপাত ব্যবসায়ীরা। তাঁরা একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ান। মুহূর্তে বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।চাপা উত্তেজনা ধীরে ধীরে রূপ নেয় প্রবল বিক্ষোভে। শেষপর্যন্ত প্রবল জনরোষ ও প্রতিবাদের মুখে ভাঙচুরের কাজ বন্ধ করে ঘটনাস্থল থেকে সরে যান প্রশাসনের কর্মীরা। তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
চাপা উত্তেজনা ধীরে ধীরে রূপ নেয় প্রবল বিক্ষোভে। দোকানদাররা অভিযোগ তুলেছেন, “আমাদেরকে আগে থেকে জানানো হলেও রাতের অন্ধকারে এইভাবে দোকান ভাঙচুর করা একেবারেই অমানবিক। আমরা গরিব মানুষ, এই দোকানই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। পুজোর আগে যদি এই দোকান ভেঙে দেওয়া হয়, তবে পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।আমরা কেবলমাত্র শান্তিতে ব্যবসা করতে চাই এখানে। কিন্তু একজন মাজিস্ট্রেট সাহেব যদি নিজে এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নেন তাহলে আমাদের দেখবে কে?”

অন্যদিকে, প্রশাসনের এক কর্তা জানিয়েছেন, “ফুটপাতে অবৈধ দোকান থাকলে সাধারণ মানুষের চলাফেরায় অসুবিধা হয়। এ কারণে আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়