নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - প্রিয় সাইকেলকে একমাত্র সঙ্গী করে উত্তর থেকে দক্ষিণ হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শুভজিৎ পৌঁছেছে ভারতের শেষ প্রান্ত কন্যাকুমারীতে। ইচ্ছাশক্তি, অদম্য মনোবল আর গভীর বিশ্বাস থাকলে যে সাধারণ মানুষও অসাধারণ কীর্তি গড়ে তুলতে পারে তারই জ্বলন্ত উদাহরণ তৈরি করলেন চুঁচুড়ার যুবক শুভজিৎ দাস। এই দুঃসাহসিক যাত্রা আজ শুধু শুভজিতের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং রাজ্যের অসংখ্য যুবকের কাছে অনুপ্রেরণার এক দৃষ্টান্ত।
স্থানীয় সূত্রের খবর , দরিদ্র পরিবারের সন্তান শুভজিৎ দাস। মা, বাবা আর ভাইকে নিয়েই তার সংসার। গত ১০ নভেম্বর ভারতের শেষ প্রান্তে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেন চুঁচুড়ার এই যুবক। সাইকেল নিয়েই তিনি প্রথমে পুরী, তারপর অন্ধ্রপ্রদেশের মল্লিকার্জুন, রামেশ্বরম হয়ে অবশেষে ৩২ দিনের মাথায় পৌঁছে যান ভারতের শেষ সীমান্ত কন্যাকুমারীতে। তবে, এই সাফল্য শুভজিতের জীবনে প্রথম নয়। এর আগেও তিনি উত্তর ভারতের পবিত্র তীর্থস্থান কেদারনাথ দর্শন করেছেন সাইকেলেই। দীর্ঘ ৩৮ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার শুভজিতের ঘরে ফেরা। প্রিয়জনকে ফিরে পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত গোটা এলাকা।

শুভজিৎ দাস জানিয়েছেন, "ছোটবেলা থেকেই নিজের উপর একটা বিশ্বাস ছিল। আগেও কেদারনাথ সাইকেলে গিয়েছিলাম। তখনই মনে হয়েছিল এবার দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত যাবো। মহাদেবের উপর ভরসা রেখেই কন্যাকুমারী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। এছাড়াও চারিদিকে গাছ কাটা হচ্ছে তার জন্য আমি গাছ লাগানোর বার্তা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিই। এমনিতে রাস্তায় কোন অসুবিধা হয়নি। অনেক মানুষ আমায় সাহায্য করেছিল কিন্তু তামিলনাড়ুতে গিয়ে একটু সমস্যার মধ্যে পড়েছিলাম। তবে পুরো যাত্রাপথে মহাদেব আমায় সাহায্য করেছে।"
শুভজিতের মা প্রতিমা দাস জানিয়েছেন, "প্রত্যেকদিনই ছেলের জন্য চিন্তা হতো, ভয় লাগত। কদিন ফোনে না পেয়ে খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছিল। পরে খবর পেয়ে একটু শান্ত হই। আজ ছেলে সুস্থভাবে ফিরে এসেছে, এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দ। ভবিষ্যতে আবার কোথাও যেতে চাইলে অবশ্যইও আমরা সবাই ওর পাশে থাকব। ঈশ্বর ওকে ভালো রাখুক এই প্রার্থনাই করি।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়