নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর -
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে ‘ভুয়ো সই’-সহ একটি চিঠি ঘুরে বেড়াচ্ছিল সমাজমাধ্যমে। তাতে লেখা, ঘাটাল পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিভাসচন্দ্র ঘোষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। কিন্তু পরে প্রকাশ্যে আসে, চিঠিটি আসলে পুরোটাই নকল! আর সেই ভুয়ো চিঠিকেই হাতিয়ার করে ‘ক্ষমতা জাহির’ ও অর্থ তোলার অভিযোগ ওঠে বিভাসচন্দ্র ঘোষের বিরুদ্ধে। অবশেষে, মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

সূত্রের খবর, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই নকল চিঠিটি ছিল ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’-এর অফিসিয়াল প্যাডে লেখা। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জাল সই করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশের হাতে আসা অভিযোগ অনুযায়ী, বিভাসচন্দ্র ঘোষ শুধু নিজের প্রভাব দেখাতেই নয়, বরং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা আদায় করেছিলেন এই ভুয়ো চিঠি দেখিয়ে। এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিরা ঘাটাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে বিভাসচন্দ্র ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার তাঁকে ঘাটাল আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর ঘাটাল মহকুমাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নাম ও সই ব্যবহার করে এই ধরনের জালিয়াতি নজিরবিহীন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চিঠিটি তৈরি করা হয়েছিল সুচিন্তিতভাবে, যাতে সাধারণ মানুষ তা সত্যি বলে বিশ্বাস করেন।বর্তমানে নকল চিঠিটি এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত নথি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে সইয়ের সত্যতা যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই জালিয়াতির সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত আছে কি না। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ঘাটাল জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, “উনি (বিভাসচন্দ্র) হয়তো কোনও খারাপ চক্রে পড়েছেন। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সই জাল করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। যদি সত্যিই উনি এমন কিছু করে থাকেন, প্রশাসন যেমন ব্যবস্থা নেবে, দলও তেমনই নেবে।” অজিতবাবু আরও যোগ করেন, “দলের নির্দেশে যদি কাউকে কোনও পদে বসানো হত, সে বিষয়ে জেলা নেতৃত্বেরও খবর থাকত। এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়