নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সক্রিয় উদ্যোগে ইরাকে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের অবশেষে ঘরে ফেরার পথ খুলল। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের শ্রমিক মফিজুল মণ্ডল দেশে ফিরে আসেন।
সূত্রের খবর, দুবছর আগে একটি বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে ইরাকের এক কারখানায় কাজের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন কাকদ্বীপের ১২ জন পরিযায়ী শ্রমিক। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়নি। অভিযোগ, কারখানার মালিকপক্ষ তাদের আটকে রেখে মজুরি বন্ধ করে দেয় এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালায়। প্রায় আট মাস ধরে শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
সম্প্রতি শ্রমিকদের তৈরি এক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওতে তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দেশে ফেরার আর্জি জানান। ঘটনার পরই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তার নির্দেশে মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার শ্রমিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ান এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে ওই শ্রমিকদের পাসপোর্ট ও ভিসার মেয়াদ নবীকরণের কাজ চলছে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়