নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - শরতের আকাশে সাদা মেঘ ভেসে উঠলেই বাঙালির মনে বাজে পুজোর আগমনী সুর। কুমোরটুলির মতোই এখন ব্যস্ত হুগলীর বলাগড়ের শ্রীপুর এলাকা। সেখানেই বছর সতেরোর এক তরুণের হাতে গড়া দুর্গা মূর্তি পাড়ি দিচ্ছে প্রায় সাড়ে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরের চেন্নাই শহরে।
সূত্রের খবর, শ্রীপুরের সন্দীপ আঁটুই, পাড়ার সবার কাছে আকাশ নামে পরিচিত। আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে সে। কিন্তু বইয়ের পড়াশোনার সঙ্গে সমান তালে চলছে মাটির প্রতিমা তৈরির সাধনা। ছোটবেলা থেকেই হাতের মাটিতে নিজের স্বপ্ন গড়তে ভালোবাসে সন্দীপ। ফাঁক পেলেই মাটি দিয়ে খেলনা, ছোট ছোট শোপিস বানাত। বড় হতে হতে একদিন মনে হলো, দুর্গা প্রতিমা গড়বে সে। ইউটিউবের ভিডিও আর পাড়ার মৃৎশিল্পীদের কাজ দেখে নিজেই শিখে নিল কৌশল।

এ বছরই প্রথম আড়াই ফুট উচ্চতার পূর্ণাঙ্গ মাটি দুর্গা গড়েছে সে এক চলার কাঠামোয় দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, সিংহ আর মহিষাসুর। এক মাসের পরিশ্রমে তৈরি সেই প্রতিমাকে ডাকের সাজে সাজিয়েছে সন্দীপ। ২০ সেপ্টেম্বর সেই প্রতিমা রওনা দেবে চেন্নাইয়ের নিউ প্যানাভেলে। শুধু দুর্গা নয়, অর্ডার এসেছে একটি লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মূর্তিরও। যদিও আকাশের বাবা সুকুমার আঁটুই পেশায় টোটো চালক। তাঁর সামান্য আয়েই সংসার চলে। অর্থকষ্টের মধ্যেই ছেলের পড়াশোনার ব্যবস্থা করতে গিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকতেই তাকে ভর্তি করিয়ে দেন জিরাটের এক বেসরকারি সংস্থার আবাসিক কেন্দ্রে। সেখানেই থেকে পড়াশোনা করছে সন্দীপ।
প্রথম দিকে বাবা মা ছেলের মাটির কাজকে পছন্দ করতেন না। কিন্তু আবাসনের কর্তা জয়প্রকাশ মিশ্র পরিবারকে বোঝানোর পর তাঁরা রাজি হন। জয়প্রকাশ বলেন, “আকাশ খুব মেধাবী ছাত্র। পাশাপাশি মাটির কাজের প্রতিও ওর ভীষণ টান। ওর প্রতিমা দেখেই বলাগড়ের এক গৃহবধূ মিনা সেন, যিনি এখন চেন্নাইয়ে থাকেন, অর্ডার দেন ছোট দুর্গার।”
সন্দীপের চোখে এখন নতুন স্বপ্ন। সে জানায়, “মাটির কাজ করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। বাবা মা আগে বারণ করতেন, কিন্তু আমি থামিনি। এলাকায় মৃৎশিল্পীদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এ বছর প্রথম দুর্গা তৈরি করেছি। এখন আরও জায়গা থেকে অর্ডার পাচ্ছি।”শরতের পুজো আসতে না আসতেই এক কিশোর শিল্পীর হাতের ছোঁয়া বলাগড়ের মাটিকে পৌঁছে দিচ্ছে দূর চেন্নাইয়ের পূজামণ্ডপে। আকাশের এই গল্প যেন শ্রম আর প্রতিভার এক অনন্য মিলন।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়