নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - অস্থায়ী বাঁশের ব্রিজের ওপর দিয়েই দিনের পর দিন চলছে যাতায়াত। কোচবিহার জেলার ফাঁসিরঘাট সড়ক সেতু নির্মাণ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যায় সাধারণ মানুষ। ফাঁসিরঘাট সেতু আন্দোলনের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সরাসরি আবেদন জানানোর প্রস্তাব দেওয়ার পরও লাভ হয়নি। বাঁশের ব্রিজ যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। এখনও প্রশাসনের তরফে কোনো সুরাহা না হওয়ায় তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে কোচবিহারে।

সূত্রের খবর , ওই বংশে ব্রিজের ওপর দিয়ে যাতায়াত হয় প্রায় কয়েক হাজার মানুষের। যেকোনো মুহূর্তে বড় কোনো বিপদ ঘটে যেতে পারে। নদীর ওপর দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা , অসুস্থ রোগীরা , অফিস যাত্রীরা প্রাণ হাতে নিয়ে চলাচল করেন। প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের গাফিলতিতে রীতিমত ক্ষুব্ধ।

ফাঁসিরঘাট সেতু আন্দোলন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, "মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহার জেলা সফরের সময় তাদের তরফে জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার সহ তৃণমূলের একাংশ জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটি সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। যাতে জেলার সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘদিনের দাবি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা যায়।কিন্তু প্রশাসন বা তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব কারোর পক্ষ থেকেই কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।"
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান নিরপেক্ষ প্রতিবাদী মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ সাব্বির। তিনি বলেন,
"কোচবিহারের মানুষের জ্বলন্ত সমস্যা নিয়ে যারা কোনো চিন্তা করে না, শুধু ভোট এলেই মিথ্যা আশ্বাস দেয়। তাদেরকে একটাও ভোট দেবেন না। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে শাসকদল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলের প্রার্থী যদি এই সমস্যা সমাধানে সোচ্চার হন, তবে তাঁদেরকেই ভোট দিন। মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বোকা বানানো আর চলবে না।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়