নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে আটক মূল অভিযুক্ত। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে সোনামুখী অঞ্চলে। স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার। পাশাপাশি পুলিশের তৎপরতায় সন্তুষ্ট তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট রাতে চকাই গ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন তৃণমূল নেতা সেকেন্দার খান। ঘটনার পর প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিম শেখ, তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরে নাসিম, তাঁর দুই ছেলে হাসিম, ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মূল অভিযুক্ত নাসিমের মেজ ছেলে হাকিম শেখ দীর্ঘদিন পলাতক ছিল।

বাঁকুড়া জেলা পুলিশের এসপি-র নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বীরভূমের ইলামবাজারে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত সহ তাঁর সঙ্গীকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাঁদের বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ ১৪ দিনের হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে।
নিহতের বোন রুকসামা বিবি জানান, 'দীর্ঘদিন পর অভিযুক্তরা ধরা পড়ায় আমরা স্বস্তিতে আছি। শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে এই ঘৃণ্য কাজটি করা হয়েছে। হাকিম শেখের ফাঁসির দাবি জানাই। বাকিদের কঠোরতম শাস্তি চাই। পুলিশের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। এখন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছি'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়