নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে শিলিগুড়ি ইউনিটের একটি বিশেষ দল নিউ কোচবিহার রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালায়। ওই সময় ধরা পড়ে তিন মহিলা, যাদের শরীরের সঙ্গে লুকিয়ে রাখা ছিল বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তিনজন মহিলা হচ্ছেন, আপিকা বিবি (৪২ বছর), পুষনডাঙ্গা এলাকা, কোচবিহার সদর থানার বাসিন্দা। তাছিমা খাতুন (২৭ বছর), দেওয়ানহাট এলাকা, কোচবিহার সদর।ও ফারিদা খাতুন (২৫ বছর), দেওয়ানহাট এলাকা, কোচবিহার সদর। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই তিন মহিলা অসমের শিলচর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে কোচবিহার আসছিলেন। ট্রেনে আসার সময়ই গোপন খবরের ভিত্তিতে এসটিএফের দল নিউ কোচবিহার স্টেশনে নজরদারি বসায় এবং তাদের তল্লাশি চালিয়ে মাদক উদ্ধার করে।
তারা জানিয়েছেন, ধৃতদের কাছ থেকে মোট ৩.৩৯ কিলোগ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি টাকারও বেশি। এই ইয়াবা ট্যাবলেটগুলি শরীরের সঙ্গে বিশেষভাবে লুকিয়ে পাচারের চেষ্টা করছিল তারা।ঘটনার পর এসটিএফ শিলিগুড়ি থানায় এনডিপিএস (নারকোটিক ড্রাগস আন্ড সাইকোট্রপিক সাবস্টেন্সেস) আইনে মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তিন মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে তদন্তকারীরা। তাদের কাছ থেকে পাচারচক্রের মূল সূত্র ও বড় কোনও চক্র যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এসটিএফ সূত্রে জানানো হয়েছে, উত্তরবঙ্গ ও সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় সম্প্রতি মাদক পাচারের প্রবণতা বাড়ছে। সেই কারণে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই অভিযান মাদক পাচার রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স থেকে জানানো হয়েছে “মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়