নিজস্ব প্রতিনিধি , মুর্শিদাবাদ - একসময় কুটির শিল্পের ওপর নির্ভর করত জীবনযাপন। তবে আধুনিকতার যুগে হাতের কাজ কজনই বা করেন। সত্যিই বলতে যারা এটিকে ভালবাসেন তাদেরই ঘরে এখনও কুটির শিল্পের চল বহাল। তবে মুর্শিদাবাদের কাহিনীটা ভীষণই আলাদা। এখনও কুটির শিল্পের প্রচলন জিইয়ে রেখেছেন তারা। ছট পুজোর সময় সবচেয়ে দরকারি জিনিসটি তারা হাতে তৈরি করছেন।

ছট পুজোয় মাতোয়ারা সকলেই প্রায় একটা বছর অপেক্ষা করে থাকে এই সময়ের উদ্দেশ্যে। ভীষণই নিষ্ঠার সঙ্গে এই ব্রত পালন করে থাকেন তারা। আর সেখানে সবচেয়ে বেশি দরকার হয় কুলোর। কুলো ছাড়া এই পুজো অসম্পূর্ণ। তাই বিপুল পরিমাণে কুলোর জোগাড় করতে ঘুম উড়েছে বাঁশ শিল্পীদের। বাঁশের কুলো বানাতে নাওয়া খাওয়া প্রায় ভুলতে বসেছেন তারা। ক্ষুদ্র কুটির শিল্পীদের এখন চরম ব্যস্ততা।

কুলো ছাড়াও বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে আরও সরঞ্জাম। বাজারে ফাইবার সহ প্লাস্টিকের জিনিসপত্র বিক্রি হলেও হাতের কাজের ওপর পুরো আস্থা রেখেছেন শিল্পীরা। সারাবছর এই কাজে নিমজ্জিত থাকেন তারা। অনেকেই মুর্শিদাবাদ থেকে কল্যাণীতে ছুটে এসেছেন অনেকেই। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই নাকি তারা ছট পুজো উপলক্ষ্যে কল্যাণীতে আসেন। পুজোর সরঞ্জাম তৈরী করে মানুষের চাহিদা মেটান।

রাজ্য সরকারের তরফেও এই কুটির শিল্পকে ভীষণই সাহায্য করা হচ্ছে বলে দাবি শিল্পীদের। সরকারের কাছ থেকে সবরকম সহযোগিতা পাচ্ছেন বলেই জানিয়েছেন তারা। এমনকি তৃণমূল হকার্স ইউনিয়ন কল্যাণী শাখার সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাসও এই কুটির শিল্পকে সমর্থন করছেন। তিনি বলেছেন , "ছোটবেলায় এই শিল্প নিয়ে শুধুই পড়াশোনা করেছি , দেখেছি। প্রযুক্তির যুগে আজও যে কিছু শ্রেণীর মানুষ এটাকে ধরে রেখেছে দেখে ভাল লাগছে। আমি সত্যিই খুব খুশি। ক্ষুদ্র শিল্পগুলিকে অবশ্যই বাঁচিয়ে রাখা দরকার।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর