নিজস্ব প্রতিনিধি , মুর্শিদাবাদ - বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগেই ফের দলবদল। মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে প্রায় ১৬০টি পরিবার। সেই যোগদানকে কেন্দ্র করে ফের মুর্শিদাবাদের মাটি শক্ত করছে বিজেপি।
মুর্শিদাবাদে দীর্ঘদিনের প্রধান তিন শাসক দল তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস ছেড়ে প্রায় ১৬০টি পরিবার নির্বাচনের আগেই বিজেপিতে যোগ দেয়। এই পরিবারগুলি এতদিন বিভিন্ন দল করলেও অবশেষে বিরোধী দলগুলির ওপর বিরক্ত হয়ে অবশেষে বিজেপি সভাপতি মলয় মহাজন হাত ধরে পদ্মশিবিরে যোগদান করে। কেন্দ্রের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি আস্থা রেখে আর সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে তারা বিজেপির পতাকা হাতে নিয়েছেন।
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি মলয় মহাজন জানিয়েছেন, "আজ বেশ কিছু অন্য দল থেকে মানুষজন ভারতীয় জনতা পার্টিতে আবেদন করেছে। তবে আজ শুধু জেলাস্তরের কিছু পদাধিকারীদের জয়েনিং হবে। আজ যে কয়েকজন দলে আসবে তাদের নাম ঘোষণা করব আপনাদের সামনে। এই যোগদান আসন্ন নির্বাচনে দলের জয়ের পথ আরও সুগম করবে।"
তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানকারী মহঃ জালাউদ্দিন, "এতদিন তৃণমূল থেকে আমরা কোনো সম্মান পাইনি। বলা হয়েছিল সংখ্যালঘুদের পাশে আছি, তাদের কাজ করে দেওয়া হবে, তবে সেসব কিছুই হয়নি। তাই আমরা বিরক্ত হয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে উন্নয়নে পথে যুক্ত হয়েছি।"
ভোটের ময়দানে ঝালমুড়ি নিয়ে রাজনীতি তুঙ্গে
খড়দহের সভায় বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মমতা
প্রচারের ময়দান থেকে মমতাকে নিশানা যোগী আদিত্যনাথের
ঘটনায় আহত একাধিক কর্মী
ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের
আইএসএফের বিরূদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের
ভোটের মঞ্চে ভিন্ন সুর অভিষেকের
মাছ কাটায় নজর কাড়লেন রুদ্রনীল ঘোষ
নিজের সমাজমাধ্যমে সেই ভিডিও পোস্ট করেন নরেন্দ্র মোদি
আইপ্যাক বন্ধ হওয়া নিয়ে জল্পনা উড়িয়ে দিলেন মমতা
ভোটের আগে নন্দীগ্রামে মাস্টারস্ট্রোক অভিষেকের
ফের একবার মমতার মুখে দিল্লি দখলের ডাক
বড়জোড়া থেকে তৃণমূলকে নিশানা মোদির
তৃণমূলের জঙ্গলরাজ শেষ করার হুঁশিয়ারি মোদির
শওকতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ মমতার
এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন