নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা শেষ হলেও উচ্ছ্বাস যেন এখনও থামেনি। সকাল থেকে শুরু হওয়া ভিড় বিকেল গড়াতেও যেন উপচে পড়ে। প্রশাসনিক বৈঠকের পর এদিনই সভা থেকে জেলার দাবি-দাওয়া নিয়ে সরাসরি বার্তা দেন তিনি। সেই বক্তব্য শুনতেই লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজির হয়েছিলেন রাসমেলার ঐতিহাসিক ময়দানে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , বহুদিন ধরে আটকে থাকা সড়ক, সেতু পরিকাঠামো উন্নয়নের বহু দাবি মুখ্যমন্ত্রীর সামনে সরাসরি তুলে ধরা হয়। তিনি কর্মী-সমর্থকদের আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত সমাধানের। কৃষকবন্ধু, স্বাস্থ্যসাথী, দুয়ারে রেশন, এসব প্রকল্পের সুফল পৌঁছেছে গোটা জেলাজুড়ে। তাই নয়টি আসনেই জয় নিশ্চিত করতে দিদির পাশে থাকার অঙ্গীকার জানান তৃণমূলের কর্মীরা। প্রত্যেকটি বুথ থেকে কমপক্ষে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ জনসভায় হাজির হয়েছেন বলে দাবি সংগঠনের।

কাটামারী গ্রামের বাসিন্দা অচিন্ত কুমার রায় জানান, 'দিদির বক্তব্য শুনে আরও শক্তি পেলাম। উন্নয়নের ধারায় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলেই খুশি। আজকের সভা দেখে বোঝা গেল, আগামীদিনে আরও বেশি সংখ্যক MLA নিয়ে তৃণমূল জয়ী হবে। ওনার বার্তা পেয়ে আমরা আরও জোর দিয়ে কাজে নামব'।
চিল্কিরহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পবিত্রী বর্মন জানান, 'আমাদের এলাকা থেকেই হাজারেরও বেশি মানুষ আজকে এসেছিলেন। দিদির উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার কথায় মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে। এই জনসভা শুধু রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন নয়, কোচবিহারের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অঙ্গীকারও বটে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে এলাকার দাবি তুলে ধরতে পরত আমাদের জন্য বড় সুযোগ'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়