নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - ফের গণধর্ষণের শিকার আদিবাসী নাবালিকা। মল্লারপুরে আদিবাসী নাবালিকার ওপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। মেলা থেকে ফেরার পথে কিশোরীকে অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় তদন্তে নেমে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাতে এক আত্মীয়ের সঙ্গে স্থানীয় একটি মেলা থেকে ফিরছিলেন নির্যাতিতা নাবালিকা। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন যুবক তার পথ আটকায়। এরপরেই, ওই কিশোরীকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তার পাশের জঙ্গলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। জঙ্গলের মধ্যেই কিশোরীর উপর গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। কিশোরীর সঙ্গে থাকা আত্মীয় ছুটে গিয়ে স্থানীয়দের খবর দেন। ধর্ষণের পর অভিযুক্তরা কিশোরীকে জঙ্গলে ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়। রাতেই স্থানীয়দের সহায়তায় জঙ্গলে তল্লাশি চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনায় আদিবাসী নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নাবালিকাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। সমগ্র জঙ্গল সহ আশেপাশের এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নাম - সমাপ্ত কোনাই, অরিন্দম সৌরেন, শুভজিৎ ঘোষ, বনমালি ঘোষ, সুজিত ঘোষ ও অভিজিৎ ঘোষ।
মঙ্গলবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। এদিন আদালত চত্বরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তাদের দাবি, 'কয়েক মাস আগেও রামপুরহাটে এই ধরনের ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আর এবার মল্লারপুরে। আমরা চাই দোষীদের যেন কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি হয়। ওখানে যেমন সুষ্ঠ ভাবে তদন্ত চলছে এই ঘটনারও সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত। আর দোষীদের অবিলম্বে ফাঁসি দিতে হবে। তা নাহলে এই ধরনের অপরাধ দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছে।'
ঘটনা প্রসঙ্গ স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, ' আদিবাসী নাবালিকার সঙ্গে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। বিরাজের মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষণের জন্য রেট বেঁধে দেয় সেই রাজ্যে তোর ধর্ষণ বাড়বেই। লক্ষীর ভান্ডারে ১০০০ টাকা দিয়ে মেয়েদের ধর্ষণ করাবে সেটা বাংলার মেয়েরা মেনে নেবে না। পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি তাদেরকে সমস্ত রকম ভাবে আইনি সহায়তা আমরা করবো। এই ঘটনার শেষ দেখে ছাড়বো।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়