নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি - মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের কালো আঁধার। যুদ্ধের ছ্যাকা এবার অপরিশোধিত তেলে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে আপাতত ব্যাহত তেল সরবরাহ। ব্যারেল পিছু তেলের দাম ১১০ ডলার পেরিয়ে গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি হলে ব্যাপকভাবে বাড়বে বিমান ও যানবাহনের ভাড়া।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার সকালে এশিয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১১৪.৭৪ ডলারে। নাইমেক্স লাইট সুইটের দাম ২৬ শতাংশের বেশি বেড়ে হয়েছে ১১৪.৭৮ ডলার। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, জ্বালানি তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, এর ফলে ব্যারেল পিছু জ্বালানি তেলের দাম ১৫০ ডলার পেরিয়ে যাবে। সুতরাং, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে হয়রানি হতে হবে বিশ্ববাসীকে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীতে ৩ টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার। এর জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশছোঁয়া। দীর্ঘ সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরানের তেল রফতানি করে সবচেয়ে বেশি। প্রায় ৯০ শতাংশ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্য়াঙ্কারে করে নিয়ে যাওয়া হয় বিশ্বজুড়ে ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল।
ইতিমধ্যেই হরমুজ দখলের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হচ্ছে দেশে
ইরানকে পুরোদমে শেষ করতে মরিয়া ট্রাম্প
সাধারণ মানুষের সঙ্কট মেটাতে এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
নেপালের রাজনীতিতে বড়সড় চমক দিলেন র্যাপার
একাধিক অভিযোগ উঠেছে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে
বিশেষ বার্তাগুলির পাঠোদ্ধার করতে এখনও ব্যর্থ আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগ
ইরানের পাশে থাকার আশ্বাস পুতিনের
কালোবাজারি রুখতে এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে আরব আমিরশাহি
আমেরিকাকে যুদ্ধ শেষ নিয়ে পাল্টা হুমকি ইরানের
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দ্বিচারিতা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে ভারতে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী
ইউনুস জমানা ও তারেক জমানা, একে অপরের বিপরীত
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে বুড়ো আঙুল তেহরানের
দালাল স্ট্রিট থেকে টাকার দামে বিরাট পতন
ইরানের পর কিমের দেশে হামলার ছক আমেরিকার!
যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে বিশ্ববাজার
বিবৃতি জারি ভারতীয় দূতাবাসের