নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - চা খেতে বসে থাকা অবস্থায় হঠাৎই অপ্রত্যাশিত ঘটনার শিকার হলেন তৃণমূলের এক জনপ্রতিনিধি। এক যুবক ও রাজমিস্ত্রীর ঠিকাদারের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি শুরু হলে তা থামাতে এগিয়ে যান তৃণমূলের উপপ্রধান দেবাংশু দে। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে উল্টে নিজেই আক্রান্ত হন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, নিরাপত্তা জোরদার করেছে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই যুবক হঠাৎই উপপ্রধানের উপর হামলা চালায়। মাথা ও মুখে আঘাত পান দেবাংশু দে, ভেঙে যায় তাঁর চশমাও। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আক্রান্ত উপপ্রধান দেবাংশু দে জানান, সকালে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। তখন স্থানীয় এক সমাজবিরোধী, নাম সুমন নাথ , একজন ঠিকাদারকে মারধর করতে শুরু করে। স্বাভাবিক ভাবেই একজন নিরীহ মানুষকে মার খেতে দেখে তিনি বাধা দিতে যান। পরে কারণ জানতে পারেন, ঠিকাদারের এক কর্মী নাকি এলাকার এক মহিলাকে কটুক্তি করেছিল। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। তিনি জানান, “মারপিট থামাতে গেলে হঠাৎই ওই যুবক আমাকে ঘুষি মারে, মুখ ফেটে যায়, সেলাই দিতে হয়। আমি বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। ওই অল্পবয়সী যুবকের সঙ্গেও কোনও বিরোধ নেই। তাও কেন আমাকে এভাবে আক্রমণ করা হলো সত্যি বুঝতে পারছিনা।
গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নং সংসদের সদস্য ও তৃণমূল এর উপপ্রধানের বক্তব্য, “তবে এই ঘটনায় আমি অত্যন্ত দুঃখিত, মর্মাহত ও লজ্জিত। এখন মনে হচ্ছে সমাজবিরোধীরা আবার মাথা তুলছে।”

ঘটনাটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে এমন হামলায় তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই শ্রীরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত তৃণমূল নেতা।

গ্রাম পঞ্চায়েতের আরেক সদস্য মোহন কুমার মণ্ডল জানান, “ আমাদের শান্ত প্রকৃতির ভদ্র লোক দেবাংশুর গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক দল হোক বা অন্যকিছু, আমরা কিছুতেই ছেড়ে কথা বলব না।”গ্রাম পঞ্চায়েতের আরেক সদস্য মোহন কুমার মণ্ডল জানান, “ আমাদের শান্ত প্রকৃতির ভদ্র লোক দেবাংশুর গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক দল হোক বা অন্যকিছু, আমরা কিছুতেই ছেড়ে কথা বলব না।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়