নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - গঙ্গাসাগর যাওয়ার পথে ভয়ঙ্কর সড়ক দুর্ঘটনা। উত্তরপ্রদেশের একটি পূর্ণার্থী বোঝাই বাস ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায় ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার ভোররাতে, হুগলীর গুড়াপে। দুর্ঘটনার ফলে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। বাসে থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ১২ জন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকিদের গুরাপের একটি স্থানীয় কমিউনিটি হলে প্রাথমিকভাবে রাখা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বাসটি উত্তরপ্রদেশ থেকে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। দেওঘর হয়ে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় গুরাপের কাছে হঠাৎই সেটি একটি লরির পেছনে ধাক্কা মারে। বাসের গতি ছিল বেশ দ্রুত। ধাক্কার পর লরিটিকে কয়েক মিটার টেনে নিয়ে যায় বাসটি।

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, বাসের চালক চালানোর সময় অজান্তেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সেই কারণেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে গুরাপ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি বাকিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। ধনিয়াখালীর বিধায়ক অসীমা পাত্র জানান, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং অন্য যাত্রীদের থাকার ও খাওয়ার জন্যও যথাযথ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি গন্তব্যে পৌঁছনোর জন্য আরেকটি বাসেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ওই বাসের এক যাত্রী জানান, রাত ৩-৩:৩০টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। আমরা সবাই তখন ঘুমোচ্ছিলাম, এক লাইনে দুটো গাড়ি এসে মুখোমুখি এসে ধাক্কা মারে। মাঝে ডিভাইডার ছিলো সেখান থেকেও গাড়ি যাতায়াত করছিল। সবাই কমবেশি আহত হয়েছে তবে যারা কেবিনে ছিলো তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রামদূপ মিশ্র নামের এক ব্যাক্তি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।উনি আমাদের নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।”
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর