নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীর একটি ভাইরাল ভিডিওকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক। ধর্মের ভিত্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়ে দেওয়া তার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তোলপাড়। বিভাজনের রাজনীতি করতে চাইছে বিজেপি নেতা দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীকে স্পষ্টভাবে বলতে শোনা যাচ্ছে, হিন্দুদের শুধুমাত্র হিন্দুদের দোকান থেকেই খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনা উচিত। তিনি বলেন, বিরিয়ানি, মাংস সবই কিনতে হবে হিন্দুদের দোকান থেকে। এমনকি ‘হালাল মাংস’ না খাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্মের বাইরে কারও সঙ্গে কোনও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা উচিত নয়।
ভিডিওতে আরও শোনা যায়, কৌস্তভ বাগচী বলছেন, ' কোনও বাংলাদেশি প্লেয়ার, আইপিএল-এ খেলতে পারবে না। কোনও বাংলাদেশি পশ্চিমবঙ্গে হোটেল পাবে না। রেস্ট্রোরেন্টে খাবার পাবে না। কিচ্ছু পাবে না। আমি বলছি, আমরা সরকারের কাছে আর্জি করব, আমরা ক্ষুদ্র জায়গা থেকে বলছি, আমরা পশ্চিমবঙ্গের জনগণ, ভারতবর্ষের হিন্দুরা বলছি, বাংলাদেশি তথা পাকিস্তানি তথা অন্যান্য জেহাদি মানসিকতার মানুষজনদের সাথে, আমরা কোনওরকম কোনও কোঅপারেশন করব না।'
একইসঙ্গে, তিনি হিন্দুদের একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়ে বলেন, ' আমরা যারা হিন্দুরা আছি, আমাদের কিছুটা ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ওই বাড়িতে অনুষ্ঠান হলেই বিরিয়ানী খাব, যদি হিন্দু ভাইয়ের বিরিয়ানির দোকান থাকে, সেখান থেকে কিনুন। হিন্দু ভাইয়ের দোকান ছাড়া, বিরিয়ানি কিনব না। আমরা যে মাংস কিনি, কোনও হিন্দু ভাইয়ের মাংসের দোকান ছাড়া মাংস কিনব না, আমরা হালাল মাংস খাব না।'
এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে বয়কটের আহ্বান কি সাংবিধানিক মূল্যবোধের পরিপন্থী নয় ,তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। বিরোধীদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য সমাজে বিভাজন তৈরি করে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দিতে পারে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়