নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব মেদিনীপুর - নদীর চরে খেলা করছিল দুই বোন। মুহূর্তের অসাবধানতায় পা পিছলে পড়ে যায় গভীর জলে। আর সেখানেই থেমে গেল ৭ বছরের পিংকির হাসি খেলা ভরা জীবন। তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেয় বছর ১০ এর দিদি সালোনি সিং, এখনো মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে হাসপাতালে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের বয়াল ১ এবং বয়াল ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হলদি নদী। নদী সংস্কার না হওয়ার কারণে ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়েছে নদীর গতিপথ। নদীর চরে জমেছে কাদা বালি, যা মূলত ইটভাটার কাজে ব্যবহৃত হয়। আর এই কাদা বালির অবৈধ ব্যবসা এখন রমরমিয়ে চলছে। নদী থেকে চরবালি তুলে মজুত করা হয়, পরে তা বিক্রি করা হয় বিভিন্ন জায়গায়।

এইভাবে বালি তোলার ফলে নদীর চরজুড়ে তৈরি হয়েছে ছোট বড় ডোবা। বর্ষার জলে সেগুলো এখন ছোট ছোট জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। আশেপাশের ছেলেমেয়েরা প্রতিদিনই সেই চরে খেলাধুলো করে। সোমবার দুপুর ১২ টা নাগাদ পিংকি ও সালোনি প্রতিবেশী বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল। হঠাৎ পা পিছলে খাদানের জলে পড়ে যায় ছোট বোন পিঙ্কি। তাকে বাঁচাতে দিদি সালোনিও ঝাঁপ দেয়। কিন্তু দুজনের কারোরই সাঁতার জানা ছিল না। ফলে কেউই জল থেকে উঠতে পারেনি। চোখের সামনে এই দৃশ্য দেখে বাকিরা দৌড়ে গিয়ে বড়দের খবর দেয়। স্থানীয়রা ছুটে এসে দুই বোনকে উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। ডাক্তাররা পিঙ্কিকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সালোনি এখনও চিকিৎসাধীন।

পিঙ্কি ও সালোনির বাড়ি আসলে উত্তরপ্রদেশে। বাবা রাজিব সিং পেশায় টোটো চালক। নন্দীগ্রামে মামার বাড়ির কাছে ভাড়া বাড়িতে থাকেন তিনি। টোটো চালিয়েই সংসার চালান। হঠাৎ করেই মেয়ের অকাল মৃত্যুর খবর ভেঙে দিয়েছে পরিবারকে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এর আগেও একইভাবে এক ছোট ছেলে এই খাদানে পড়ে প্রাণ হারাতে বসেছিল। সেবার সে কোনোমতে বেঁচে যায়।
এই ঘটনায় গোটা নন্দীগ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের মদতেই চলছে চরবালি খাদানের এই অবৈধ ব্যবসা। তাদের দাবি, এই বেআইনি কাজ বন্ধ করতে প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ব্লক ১তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য শেখ মনসুর আলীর পাল্টা বক্তব্য, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। অবৈধ ব্যবসা রমরমিয়ে চললে তার দায় বিজেপিকেই নিতে হবে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়