নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - ভোরে সংসারের কাজ সেরে কখনো মাঠে মজুরি, কখনো ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা সামলানো। এইভাবেই চলে সাহসপুর দাসপাড়ার লতা, অনিমা, অসীমাদের প্রতিদিনের জীবন। তবে শরতের হাওয়া বইলেই এই সাধারণ গৃহবধূদের কাঁধে ওঠে ঢাক। তাঁরা হয়ে ওঠেন মন্ডপ মাতানো মহিলা ঢাকির দল।

সূত্রের খবর , প্রায় ১০ জন মহিলার এই টিম এখন ইন্দাস জুড়ে পরিচিত। দুর্গাপুজোর আগে তাঁদের প্রতিদিন মহড়া চলে গ্রামে। ঢাক মোছা থেকে তাল মেলানো, সবকিছুই চলছে জোর কদমে। বাজানোর ভঙ্গিও অনন্য। কখনো মাথায় তুলে, কখনো ঢাকের ওপরে চড়ে, আবার কখনো মুখে কামড়ে ধরে বাজিয়ে দর্শকদের মন জয় করেন তাঁরা।
তবে শুরুটা এত সহজ ছিল না। কয়েক বছর আগে এক অনুষ্ঠানে বাইরের মহিলা ঢাকিরা বাজাতে এলে, গ্রামের মহিলাদের মধ্যে জেদ জাগে “ ওরা পারলে, আমরা কেন পারব না?” সেখান থেকেই গড়ে ওঠে এই দল। শুরুতে গ্রামবাসীর কটাক্ষ, বাধা, নিষেধাজ্ঞা, সব সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু আড়ালে আবডালে অনুশীলন চালিয়ে আজ তাঁরা পারদর্শী।এখন তাঁদের বাজনার ডাক আসে দূরদূরান্ত থেকে। এবারের দুর্গাপুজোতেও তাঁরা ঢাক বাজাতে যাচ্ছেন প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের নৈহাটিতে।

মহিলা ঢাকি লতা রুইদাস বলেন, “ভোরে সংসারের সব কাজ করি, তারপর মাঠে কাজ করি। কিন্তু ঢাক বাজানোই আমাদের প্রাণের টান। দুর্গাপুজো এলেই আমরা যেন নতুন জীবন পাই।”

অসীমা রুইদাস জানান, “প্রথমে গ্রামে আমাদের ভালো চোখে দেখা হয়নি। অনেকে অনেক কুমন্তব্য করেছে, বাজাতেও দিত না। তবে সেই দিন পেরিয়েছে। এখন দূরদূরান্ত থেকে বায়না আসে। আমাদের দেখে গর্ব হয়।”

তবে সব আনন্দের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে এক বিষাদের সুর। দলের ম্যানেজার, যিনি প্রথম এই টিম গড়ে তুলেছিলেন, তিনি বর্তমানে ক্যান্সারে ভুগছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে এখনো তিনি নজর রাখছেন তাঁর প্রিয় টিমের দিকে। আশাবাদী একদিন তার হাত ধরে জন্ম নেওয়া এই টিম আকাশে উজ্জল তারার মতো জ্বলজ্বল করবে।

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়