নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - কলকাতার বুকে অবস্থিত পার্ক স্ট্রিট শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধুনিকতার এক জীবন্ত দলিল। ঔপনিবেশিক অতীত থেকে আজকের ঝলমলে মহানগর—সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পার্ক স্ট্রিট নিজেকে বারবার নতুন রূপে গড়ে তুলেছে

আঠারো শতকের শুরুতে আজকের পার্ক স্ট্রিট অঞ্চলটি ছিল মূলত জলাভূমি ও জঙ্গলঘেরা এলাকা। ব্রিটিশ শাসনামলে এটি ইউরোপীয়দের বসবাসের জন্য ধীরে ধীরে উন্নত হতে শুরু করে। এই অঞ্চলে তখন অনেক খোলা মাঠ, উদ্যান ও সমাধিক্ষেত্র গড়ে ওঠে, যার মধ্যে অন্যতম ছিল সাউথ পার্ক স্ট্রিট সেমেট্রি।
নামকরণ - এই রাস্তার নামকরণের পেছনে রয়েছে ‘পার্ক’-এর ইতিহাস। একসময় এখানে ছিল বিস্তীর্ণ উদ্যান ও সবুজ এলাকা, যা ব্রিটিশদের কাছে ‘পার্ক’-এর মতো মনে হতো। তাই রাস্তার নাম রাখা হয় ‘পার্ক স্ট্রিট’। ব্রিটিশ প্রশাসনের সময় থেকেই এই নাম প্রচলিত হয়ে আসে।

উনিশ শতকে পার্ক স্ট্রিট হয়ে ওঠে ইউরোপীয় সমাজজীবনের কেন্দ্র। এখানে গড়ে ওঠে অভিজাত ক্লাব, চার্চ, রেস্তোরাঁ ও আবাসিক ভবন। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, পার্ক স্ট্রিট সেমেট্রি, বিভিন্ন চার্চ ও ঐতিহাসিক ভবন এই এলাকার অতীত ঐতিহ্যের সাক্ষী। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়েও পার্ক স্ট্রিট ছিল নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের নীরব পর্যবেক্ষক।
পার্ক স্ট্রিটের গরিমা লুকিয়ে আছে তার বহুমাত্রিক পরিচয়ে। সাহিত্যিক, শিল্পী, কূটনীতিক ও অভিজাত সমাজের আনাগোনায় এই এলাকা এক বিশেষ মর্যাদা লাভ করে। এখানকার স্থাপত্যে ইউরোপীয় নকশা ও ভারতীয় আবহের অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায়, যা আজও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

আজকের পার্ক স্ট্রিট মানেই আলো, উৎসব ও জীবনের উচ্ছ্বাস। বড়দিন ও নববর্ষে এই রাস্তা আলোকসজ্জায় রূপকথার নগরীতে পরিণত হয়। নামী রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, বইয়ের দোকান ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পার্ক স্ট্রিটকে আধুনিক কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করেছে, তবুও তার ঐতিহাসিক সত্তা অটুট রয়েছে।
পার্ক স্ট্রিট অতীত ও বর্তমানের এক সেতু—যেখানে ইতিহাস কথা বলে, আর আধুনিকতা তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। এই রাস্তা শুধু কলকাতার নয়, সমগ্র ভারতের সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এক উজ্জ্বল নাম।
নতুন সাজে সেজে উঠছে জগন্নাথ মন্দির
দূরপাল্লার যাত্রীদের সুবিধার নতুন উদ্যোগ
রথযাত্রার দিনে বাড়তি লঞ্চের ব্যবস্থা
উৎসবে ভক্তদের জন্য বিশেষ পরিষেবার আয়োজন
পুরী যাওয়ার জন্য একাধিক স্পেশাল ট্রেন চালাবে দক্ষিণ পূর্ব রেল
হিউম্যানয়েড রোবটের সক্ষমতা তুলে ধরতেই এই ব্যতিক্রমী প্রযুক্তি প্রদর্শনী
আইআইটি খড়গপুরের সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি তথ্যনির্ভর পর্যটন পরিকল্পনা
সংসারের দায় কাধে নিয়ে আজও কলকাতার রাস্তায় ভাড়ার হলুদ ট্যাক্সি চালিয়ে চলেছেন রবীন্দ্রনাথ সরকার
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...