নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - হিন্দু ধর্মে শিবলিঙ্গ হল সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের প্রতীক। দেবাদিদেব মহাদেবের নিরাকার রূপ হিসেবে শিবলিঙ্গের পূজা প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত। বহু ভক্ত বাড়িতে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করে নিত্যপূজা করেন। তবে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে—বাড়িতে সাদা শিবলিঙ্গ রাখা নাকি উচিত নয়। এই বিশ্বাসের পেছনে জ্যোতিষশাস্ত্র ও আগমশাস্ত্রের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যা বহু মানুষ আজও মানেন।

শাস্ত্রমতে, শিবলিঙ্গ সাধারণত কালো পাথর, নর্মদা নদীর বানলিঙ্গ বা কৃষ্ণবর্ণ শিলায় প্রতিষ্ঠা করা শ্রেয়। সাদা শিবলিঙ্গ অধিকাংশ ক্ষেত্রে মার্বেল বা দুধসাদা পাথরের তৈরি হয়। আগমশাস্ত্র ও পুরাণে উল্লেখ আছে, গৃহস্থের ঘরে যে শিবলিঙ্গ স্থাপন করা হবে তা যেন আকারে ছোট ও নিয়মিত পূজাযোগ্য হয়। বড় বা উজ্জ্বল সাদা শিবলিঙ্গকে অনেক সময় মন্দিরোপযোগী বলে মনে করা হয়।

শিব পুরাণ-এ শিবলিঙ্গ পূজার বিধান বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে গৃহস্থের জন্য সংযত ও নিয়মিত আচার অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। অনেক আচার্য মনে করেন, সাদা শিবলিঙ্গ চন্দ্রতত্ত্বের প্রতীক, যা মন, জল ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে যুক্ত। জ্যোতিষশাস্ত্রে চন্দ্র দুর্বল হলে মানসিক অস্থিরতা, সিদ্ধান্তহীনতা বা পারিবারিক অশান্তি বাড়তে পারে। সেই কারণে কেউ কেউ মনে করেন, সাদা শিবলিঙ্গ স্থাপন করলে চন্দ্রতত্ত্বের প্রভাব বেশি সক্রিয় হয়।
অন্যদিকে কালো শিবলিঙ্গ শনি ও অগ্নিতত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধরা হয়, যা স্থিতি ও সংযমের প্রতীক। গৃহস্থ জীবনে স্থায়িত্ব ও নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কৃষ্ণবর্ণ লিঙ্গকে অনেকে অধিক শুভ মনে করেন। তবে এ ধারণা সর্বজনগ্রাহ্য নয়; বহু মন্দিরে সাদা মার্বেলের শিবলিঙ্গও প্রতিষ্ঠিত আছে এবং সেগুলিতে নিয়মিত পূজা হয়।

স্কন্দ পুরাণ-এও শিবভক্তির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু কোথাও স্পষ্টভাবে সাদা শিবলিঙ্গ গৃহে রাখা নিষিদ্ধ বলা হয়নি। বরং মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ভক্তি, শুচিতা ও নিয়মিত পূজায়। শাস্ত্রবিদদের মতে, বাড়িতে শিবলিঙ্গ রাখলে প্রতিদিন অভিষেক, বিল্বপত্র অর্পণ ও মন্ত্রোচ্চারণ করা উচিত। এই নিয়ম পালন সম্ভব না হলে বড় আকারের লিঙ্গ স্থাপন না করাই ভালো।
জ্যোতিষীরা আরও বলেন, কারও জন্মকুণ্ডলীতে চন্দ্র অত্যন্ত দুর্বল হলে সাদা বস্তুর প্রভাব বিবেচনা করে গৃহে মূর্তি স্থাপনের আগে পরামর্শ নেওয়া উচিত।
তাই বাড়িতে সাদা শিবলিঙ্গ রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ—এমন স্পষ্ট নির্দেশ কোনও প্রধান শাস্ত্রে নেই। মূল বিষয় হল শ্রদ্ধা, নিয়ম ও শুদ্ধাচার। সঠিক বিধি মেনে, সামর্থ্য অনুযায়ী পূজা করাই শিবভক্তির আসল তাৎপর্য।
হিন্দু পুরাণে যক্ষদের অধিপতি হিসেবে পরিচিত কুবের যিনি ধনসম্পদের দেবতা এবং উত্তর দিকের দিকপাল
কাশে বাতাসে প্রতিধ্বনি হল সেই চিরন্তন সত্য নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান , বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান
উদ্যোগটি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় মহলে
ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেনাকাটার আয়োজন
পর্যটন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হয়ে প্রাচীন ঐতিহ্য বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়বে
আধ্যাত্মিক পরিবেশের পাশাপাশি ভক্তসমাগমে এদিন আশ্রম প্রাঙ্গণে দেখা গেল ভক্তিমুখর উচ্ছ্বাস
আধ্যাত্মিক পরিবেশের পাশাপাশি ভক্তসমাগমে উৎসবের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে
যুগের পর যুগ ধরে ভক্তরা বিশ্বাস করে আসছেন যে তাঁর নাম স্মরণ করলে জীবনের নানা বাধা-বিপত্তি দূর হয়
সীমান্তে অবস্থিত এই তীর্থস্থানটি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের জন্য সুপরিচিত
একাধিক গুরুতর অভিযোগে জর্জরিত নোবেল
বাংলাদেশে সদ্য সরকার গঠন করেছে তারেক
প্রায় ৪ বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ
এই নিয়ে প্রায় ৫০ বার যুদ্ধ থামানো দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের
বাণিজ্যচুক্তির পরও ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প