নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সম্প্রতি শান্তিপুর শহর হেরিটেজ হিসেবে পরিচিতি পেলেও উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও পাল্টা জবাব দিয়েছে শাসক দল। শহরবাসী আশা করছেন, পর্যটন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হয়ে প্রাচীন ঐতিহ্য বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়বে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , শান্তিপুরের পরতে পরতে ইতিহাস ছড়িয়ে রয়েছে। এখানকার প্রাচীন মন্দির, বিগ্রহবাড়ি, তোপখানা মসজিদ, চার্চ, জমিদারবাড়ি এবং গঙ্গার ধারের মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের কাছে বড় আকর্ষণ। শুধু স্থাপত্য নয়, বিখ্যাত তাঁতশিল্প, হিমসাগর আম, ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নও এই শহরের অন্যতম সম্পদ।

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তিপুরকে হেরিটেজ শহর হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই প্রাচীন জনপদকে ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ বেড়েছে, তবে উন্নয়নের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, হোমস্টে বা গাইডদের কিছু প্রশিক্ষণ ছাড়া দৃশ্যমান বড় কোনও পরিকাঠামোগত পরিবর্তন চোখে পড়েনি।
তবে শাসকদলের দাবি, হেরিটেজ মানে সার্বিক উন্নয়ন। পানীয় জল, নতুন রাস্তা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও শৌচালয় তৈরির কাজ। যা বিধায়ক তহবিল, সংশ্লিষ্ট দফতর, পৌরসভার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে চলছে। শুক্রবার দেখা গেল, পর্যটন দফতরের উদ্যোগে সিভিল ডিফেন্সের অস্থায়ী কর্মীদের নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এদিন ফুলিয়া ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে কেন্দ্র করে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়।

সকাল ১০টায় নবলা থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি বেলঘড়িয়ার দুর্গাপ্রসাদ জমিদারবাড়ি, কামাখ্যা মন্দির ঘুরে শান্তিপুরে প্রবেশ করে। এরপর তোপখানা মসজিদ, গোস্বামী বাড়ি পরিদর্শন করে পৌঁছায় রাজ্যের দ্বিতীয় প্রাচীন পৌরসভায়। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের হাতে পৌর ইতিহাস সম্বলিত পুস্তিকা তুলে দেওয়া হয়। অদ্বৈত পাঠের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
পর্যটন দপ্তরের গাইড সৌরভ কুমার দাস জানান, 'এই জেলার ১৫০ জন ছেলেমেয়ে ২ মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বর্তমানে নতুন ব্যাচের ট্রেনিংও চলছে। পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইটে দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে পর্যটকরা গাইডদের সাহায্য নিতে পারেন। রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, শান্তিপুরের ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়া'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়