নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি ক্রমশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছচ্ছে। স্থল ও আকাশপথের পর এবার সমুদ্রেও আরও দৃঢ় অবস্থান নিতে চলেছে দেশ। ভারতীয় নৌবাহিনীতে খুব শিগগিরই যুক্ত হতে পারে তৃতীয় দেশীয়ভাবে নির্মিত পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন, INS অরিদমন (S4)। প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে।

বিশাখাপত্তনমে অবস্থিত শিপ বিল্ডিং সেন্টারে অত্যন্ত গোপনীয় অ্যাডভান্স টেকনোলজি ভেসেল প্রোগ্রাম -এর অধীনে নির্মিত হয়েছে INS অরিদমন। প্রায় ৭,০০০ টন ওজনের এই সাবমেরিনটি ইতিমধ্যেই সার্ভিসে থাকা INS আরিহান্ট এবং INS আরিঘাত-এর তুলনায় বড় এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে আরও উন্নত বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারতের সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও একধাপ এগোবে।

বর্তমানে INS অরিদমন সি ট্রায়ালের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিভিন্ন সিস্টেমের কার্যকারিতা যাচাই এবং অস্ত্র সংযুক্তিকরণের কাজ প্রায় সম্পন্ন। সব পরীক্ষা সফল হলে গ্রীষ্মের শুরুতেই এটি নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল দিনেশ ত্রিপাঠি আগেই জানিয়েছিলেন যে, ২০২৬ সালের মধ্যেই সাবমেরিনটি কমিশন করা হবে। সাম্প্রতিক অগ্রগতি সেই সময়সীমাকেই বাস্তব রূপ দিতে চলেছে।
অস্ত্রসজ্জার দিক থেকেও INS অরিদমন অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার K-15 সাগরিকা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম, যার সংখ্যা হতে পারে ২৪টি পর্যন্ত। পাশাপাশি ৩,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার K-4 মিসাইল বহনের ক্ষমতাও রয়েছে, যা এশিয়ার বিস্তীর্ণ অংশে আঘাত হানতে সক্ষম। এই দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল ভারতের ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক’ সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

পারমাণবিক ট্রায়োড বা ত্রিভূজ—স্থল, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক অস্ত্রবাহক ব্যবস্থার—একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হল সাবমেরিনবাহিনী। INS অরিদমন অন্তর্ভুক্ত হলে ভারতের নিউক্লিয়ার ট্রায়াড আরও মজবুত হবে এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলে দেশের কৌশলগত অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
এমন মানবিক প্রচেষ্টা স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে
ওড়িশার কোলাহল মুক্ত সমুদ্র সৈকত গোপালপুর
১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এই বিশাল নৌবহর পর্যালোচনা করবেন
দীর্ঘদিন ধরে বরফে ঢেকে থাকা তাঁর দেহাবশেষ সম্প্রতি হিমবাহ সরে যাওয়ার ফলে প্রকাশ্যে আসে
একাধিক গুরুতর অভিযোগে জর্জরিত নোবেল
বাংলাদেশে সদ্য সরকার গঠন করেছে তারেক
প্রায় ৪ বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ
এই নিয়ে প্রায় ৫০ বার যুদ্ধ থামানো দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের
বাণিজ্যচুক্তির পরও ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প