নিজস্ব প্রতিনিধি , ইসলামাবাদ - পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারত নয়, নিজের দেশেই থাকতে বেশি পছন্দ করেন। এমনই দাবি করেছেন পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। পাশাপাশি 'অখণ্ড ভারত' নিয়ে ভারতীয়দের ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। সংখ্যালঘুদের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে বলেও দাবি তাঁর। এই মন্তব্য ঘিরে ফের শুরু হয়েছে চর্চা।
শুক্রবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জারদারি। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রসঙ্গ তোলেন পাক প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, পাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৩ থেকে ৪ শতাংশ। তাঁর কথায়, তাঁরা অন্য যে কোনও দেশের মতোই স্বাধীন। পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারতের তুলনায় নিজেদের দেশকেই বেশি পছন্দ করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জারদারির বক্তব্যে 'অখণ্ড ভারত'-এর প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, ভারতীয়দের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। তাঁদের মধ্যে অখণ্ড ভারতের ধারণা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্য দিকে, পাকিস্তান মুসলিম-প্রধান দেশ বলেও উল্লেখ করেন পাক প্রেসিডেন্ট। এটিই পাকিস্তানের পরিচয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। সহনশীলতার প্রসঙ্গও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন জারদারি। তাঁর দাবি, পাকিস্তানের মুসলিমরা সহিষ্ণু মানসিকতায় বিশ্বাসী। দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ও নিজেদের ধর্ম পালন করতে পারেন বলে জানান তিনি।
তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতি কতটা মেলে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। চলতি বছরের হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্টেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ধর্ম অবমাননা আইন ও বৈষম্যমূলক বিধির অপব্যবহারের কথা সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে সংখ্যালঘুদের উপর হিংসার অভিযোগও রয়েছে। অকারণে গ্রেফতার-সহ হয়রানির কথাও উঠে এসেছে। গণপিটুনির মতো ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে। হিন্দু ও খ্রিস্টান মহিলাদের জোর করে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ধর্মান্তরের ঘটনাও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।পাকিস্তানের হিন্দু জনসংখ্যা নিয়েও বিভিন্ন রিপোর্টে তথ্য রয়েছে। ইউরোপীয় কান্ট্রি অফ অরিজিন ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে।
সেখানে বলা হয়েছে, সামাজিক ও ধর্মীয় কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমেছে। ১৯৪১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে অ-মুসলিমদের সংখ্যা ছিল প্রায় ২০ শতাংশ। এক দশক পর সেই হার নেমে আসে প্রায় ৪ শতাংশে। ওই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার হিন্দু পাকিস্তান ছাড়েন। তাঁদের অনেকে ভারতে চলে আসেন। বাকিদের কেউ কেউ অন্য দেশেও আশ্রয় নেন। ফলে জারদারির সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবির পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের বাস্তব পরিস্থিতিও আলোচনায় এসেছে।
হড়পা বানে নিশ্চিহ্ন গ্রাম, স্বজন হারিয়ে বেঁচে ফেরার যন্ত্রণার কথা জানালেন তিনি
জুলিই আজ বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক সফল চিত্রশিল্পী আর জনপ্রিয় মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে
মৃত্যু ৬২৬, নিখোঁজ বহু! ফের হড়পা বানের আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট নেপালে
মৃতদেহের গয়না চুরির অভিযোগেও গ্রেফতার, উদ্ধার বিপুল নগদ টাকা
আমেরিকার সঙ্গে চুক্তিতে আশাবাদী কারাকাস, অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর আশা রডরিগেজের
হড়পা বানের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই নতুন বিপদের ভ্রুকুটি, ফুঁসছে ভোটেকোশী-ত্রিশূলী
নেপালে নিখোঁজ ভারতীয়দের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ! উদ্ধারে তৎপর দিল্লি, দেশে ফিরলেন অনেকে
ইতালির সংসার ছেড়ে প্রেমিকের ঘরে! ৪ সন্তানের মাকে ঘিরে চাঞ্চল্য
হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালের সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন, তিব্বত সীমান্তে কি কূটনৈতিক চাপ?
বিপদসীমার উপরে জলস্তর, সরোবর ফেটে গেলে ফের প্লাবিত হতে পারে বিপর্যস্ত এলাকা
নেপাল বিপর্যয়ে দায় এড়াল চিন! নেপালের অভিযোগ খারিজ, কাঠমান্ডু-বেজিং সম্পর্কে চিড়ের আশঙ্কা
রাস্তা-সেতু ধ্বংস, কাদার স্তূপে থমকে উদ্ধারকাজ, বাড়ছে উদ্বেগ
তুষারধসে নদীপথ আটকে বিপর্যয়, জলবায়ু পরিবর্তনেও বাড়ছে হিমালয়ের ঝুঁকি
তিব্বত থেকে জলের তোড়ে বিপর্যয়, বিহার-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তেও সতর্কতা
ইক্রামুলকে নিয়ে হাসিনাপুত্রের অভিযোগ, বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে উদ্বেগ
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের