নিজস্ব প্রতিনিধি , কাঠমান্ডু - রসুয়ার ভয়াবহ হড়পা বান নিয়ে এবার মুখোমুখি চিন ও নেপাল। বিপর্যয়ের জন্য চিনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল কাঠমান্ডু। কিন্তু সেই দাবি সরাসরি নস্যাৎ করেছে বেজিং। ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপড়েনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বুধবার ভয়াবহ হড়পা বানের পরই চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে নেপাল। তাদের দাবি ছিল, চিনের একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলেই বিপুল জল নেমে আসে। বিপদের আশঙ্কা বুঝেও বেজিং কাঠমান্ডুকে আগে থেকে সতর্ক করেনি বলেও অভিযোগ ওঠে। তবে বৃহস্পতিবার সেই সমস্ত দাবি খারিজ করে দেয় চিন। এমনকি এ সংক্রান্ত খবরকে 'ভুয়ো' বলেও দাবি করেছে তারা। নেপালে নিযুক্ত চিনা দূতাবাসের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, বিপর্যয়ের উৎপত্তি নেপালের সীমান্তবর্তী এলাকাতেই হয়েছিল।
চিনা দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২৬ আগস্ট সকালে নেপালে ভূমিকম্প অথবা হিমবাহ ধসের মতো একটি ঘটনা ঘটে। তার জেরেই কাদাধস তৈরি হয়। সেই কাদার স্রোতের কারণেই গিরং-রাসুওয়াগাধি সীমান্ত এলাকায় নেপাল ও চিন, দুই দেশেই প্রাণহানি ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। বেজিংয়ের দাবি, এই পরিস্থিতিতে একে অপরকে দোষ দিয়ে কোনও লাভ নেই। বরং বিপর্যয়ের সময়ে সহযোগিতার মাধ্যমেই মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।
এদিকে হড়পা বানের প্রকৃত কারণ নিয়ে নিজেদের প্রাথমিক মূল্যায়নও বদলেছে ইউএসজিএস। প্রথমে সংস্থাটি জানিয়েছিল, বুধবার ভোরে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার উত্তরে নেপাল-চিন সীমান্তের কাছে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। পরে সেই মূল্যায়ন সংশোধন করা হয়। নতুন বিশ্লেষণে জানানো হয়েছে, কম্পনের উৎস ভূমিকম্প নয়। বরং হিমবাহ ধস থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.২।
নিকটবর্তী ভূকম্পন পরিমাপক কেন্দ্রের তথ্য, ভূকম্পন তরঙ্গ ও উপগ্রহের ছবি খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে ইউএসজিএস। তাদের ব্যাখ্যা, হিমবাহ ধসের সময় বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর আচমকা নীচের দিকে নেমে আসে। তার ফলেই তৈরি হয় প্রবল জলোচ্ছ্বাস। সেই জলের তোড়ে উপত্যকার নীচের দিকে থাকা জনবসতিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের একাংশও হিমবাহ ধসকেই এই ভয়াবহ হড়পা বানের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছেন।
এদিকে নেপালের বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে। সরকারি হিসাবে এখনও পর্যন্ত ১৭৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ অন্তত ৭৫০ জন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জন ভারতীয় নাগরিক। ফলে বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে চিন-নেপালের মধ্যে তৈরি হওয়া মতবিরোধের পাশাপাশি আটকে থাকা ভারতীয়দের নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এখন প্রশ্ন, হড়পা বানের কারণ নিয়ে দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি দাবির প্রভাব কি চিন-কাঠমান্ডু সম্পর্কেও পড়বে?
রাস্তা-সেতু ধ্বংস, কাদার স্তূপে থমকে উদ্ধারকাজ, বাড়ছে উদ্বেগ
তুষারধসে নদীপথ আটকে বিপর্যয়, জলবায়ু পরিবর্তনেও বাড়ছে হিমালয়ের ঝুঁকি
তিব্বত থেকে জলের তোড়ে বিপর্যয়, বিহার-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তেও সতর্কতা
ইক্রামুলকে নিয়ে হাসিনাপুত্রের অভিযোগ, বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে উদ্বেগ
ল্যান্ডফিলের পাশে ঝুপড়িতে থাকা বহু মানুষ চাপা পড়েন
বিদেশযাত্রা থেকে ব্যক্তিজীবন, চিনে সরকারি কর্মীদের উপর কড়া নজরদারির অভিযোগ
নোশকিতে ব্যবসায়ী হত্যায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা, বাড়ছে ক্ষোভ
আয়ারল্যান্ডে ৪৪০ একরের এস্টেট-সহ গথিক দুর্গ কিনলেন মেটা কর্তা, নিয়মিত থাকবেন না সেখানে
ন্যেপির নিয়ম ভেঙে সমুদ্র সৈকতে বেরিয়ে ভিডিও পোস্ট, অশ্লীল মন্তব্যে ক্ষোভ
প্রথম বিস্ফোরণের পর ফের ড্রোন হামলার অভিযোগ, ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ ৯
দুর্গম এলাকায় দুর্ঘটনা, বিমানে থাকা সকলের খোঁজে তল্লাশি
গাল্ফ অব এডেন ও সোমালিয়া উপকূলে পর পর হামলা, নাবিকদের অবস্থান এখনও অস্পষ্ট
৪৮ ঘণ্টার নির্দেশের পর ইসলামাবাদের হাসপাতালে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা
ফোর্ড, লিঙ্কন থেকে জর্জ ওয়াশিংটন, একের পর এক যুদ্ধজাহাজে শৌচাগার নিয়ে চরম দুর্ভোগ নৌসেনাদের
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের