নিজস্ব প্রতিনিধি , ওয়াশিংটন - ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ে বড়সড় চুক্তির ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চুক্তিকে ঘিরে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা দু'দেশেরই প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে এই চুক্তির কথা জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই সমঝোতা হয়েছে। তাঁর দাবি, এটিই বিশ্বের বৃহত্তম তেল চুক্তি। এই চুক্তির ফলে আমেরিকার তেলের মজুত দ্বিগুণেরও বেশি বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, ভেনেজুয়েলার তেলের জোগান আমেরিকার বাজারে যুক্ত হলে দেশের তেল সরবরাহ অনেকটাই বাড়বে। তার প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানির দামেও।
সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের জন্য পেট্রলের দাম দীর্ঘমেয়াদে কমানোর ক্ষেত্রে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, 'এই ঐতিহাসিক লেনদেন আমেরিকার মজুত তেলের পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়াবে। ফলে আমাদের তেল সরবরাহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে সমস্ত মার্কিন নাগরিকদের জন্য গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে'।
অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজও এই সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী। তাঁর আশা, তেলসম্পদকে ঘিরে নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হলে দেশের অর্থনীতি ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ভেনেজুয়েলাকে আগের জায়গায় ফেরানোর ক্ষেত্রে তেলশিল্পই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার মাটির নীচে প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ সৌদি আরবের চেয়েও বেশি।
তবে বিপুল তেলসম্পদ থাকা সত্ত্বেও দেশটির উৎপাদন ক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় ধাক্কা খেয়েছে। বর্তমানে সেখানে দৈনিক প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন হয়। নতুন চুক্তির ফলে সেই শিল্পে নতুন করে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তেলের চুক্তির পাশাপাশি ভেনেজুয়েলা নিয়ে আমেরিকার সাম্প্রতিক পদক্ষেপও আলোচনায় এসেছে। কয়েক মাস আগে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা।
সেই অভিযানে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছিল। মার্কিন ডেল্টা ফোর্স ওই অভিযানে অংশ নিয়েছিল বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। মাদুরো সরকারের সঙ্গে চিন ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা নিয়েও ওয়াশিংটনের অস্বস্তি ছিল। একই সময়ে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছিল।
তেলের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণেই আমেরিকা মাদুরোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছিল কি না, তা নিয়ে তখন থেকেই জল্পনা ছিল।এবার ট্রাম্পের তেল চুক্তির ঘোষণার পর সেই প্রশ্নই ফের সামনে এসেছে। এক দিকে আমেরিকার জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা। অন্য দিকে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রত্যাশা। ফলে এই চুক্তি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং আন্তর্জাতিক তেল বাজারে তার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর।
নেপালে নিখোঁজ ভারতীয়দের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ! উদ্ধারে তৎপর দিল্লি, দেশে ফিরলেন অনেকে
ইতালির সংসার ছেড়ে প্রেমিকের ঘরে! ৪ সন্তানের মাকে ঘিরে চাঞ্চল্য
হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালের সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন, তিব্বত সীমান্তে কি কূটনৈতিক চাপ?
বিপদসীমার উপরে জলস্তর, সরোবর ফেটে গেলে ফের প্লাবিত হতে পারে বিপর্যস্ত এলাকা
নেপাল বিপর্যয়ে দায় এড়াল চিন! নেপালের অভিযোগ খারিজ, কাঠমান্ডু-বেজিং সম্পর্কে চিড়ের আশঙ্কা
রাস্তা-সেতু ধ্বংস, কাদার স্তূপে থমকে উদ্ধারকাজ, বাড়ছে উদ্বেগ
তুষারধসে নদীপথ আটকে বিপর্যয়, জলবায়ু পরিবর্তনেও বাড়ছে হিমালয়ের ঝুঁকি
তিব্বত থেকে জলের তোড়ে বিপর্যয়, বিহার-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তেও সতর্কতা
ইক্রামুলকে নিয়ে হাসিনাপুত্রের অভিযোগ, বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে উদ্বেগ
ল্যান্ডফিলের পাশে ঝুপড়িতে থাকা বহু মানুষ চাপা পড়েন
বিদেশযাত্রা থেকে ব্যক্তিজীবন, চিনে সরকারি কর্মীদের উপর কড়া নজরদারির অভিযোগ
নোশকিতে ব্যবসায়ী হত্যায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা, বাড়ছে ক্ষোভ
আয়ারল্যান্ডে ৪৪০ একরের এস্টেট-সহ গথিক দুর্গ কিনলেন মেটা কর্তা, নিয়মিত থাকবেন না সেখানে
ন্যেপির নিয়ম ভেঙে সমুদ্র সৈকতে বেরিয়ে ভিডিও পোস্ট, অশ্লীল মন্তব্যে ক্ষোভ
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের