নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - পুজো শেষ হতে না হতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে হামলা। অভিযোগের তীর সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পাল্টা দাবি পুরোটাই বিজেপিদের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদন্ধ।

সূত্রের খবর, কোচবিহারের দিনহাটা সংলগ্ন ভেটাগুড়িতে বিজেপি দলীয় কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে অতর্কিতে ভয়াবহ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

পরপর চার বিজেপি কর্মীকে আক্রমণ করা হয়। ভেটাগুড়ির বাসিন্দা সুমিতা বর্মন, দীপঙ্কর বর্মন সুরজ বর্মনসহ রাজেশ বর্মণের বাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়। বাইক থেকে শুরু করে আলমারি , বাড়ি সবকিছুই ভাঙার চেষ্টা চলেছে। বিধানসভা ভোটের এখনও মাসকয়েক বাকি। তবে তার আগেই এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজনীতিবিদদের।

আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সুমিতা বর্মন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “ রান্নাঘরে ঢুকে গ্যাস, হাঁড়ি , জলের পাম্প সব ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এক গ্লাস জল গড়িয়ে খাওয়ার পরিস্থিতিও রাখেনি। জানি বারংবার বিরোধী দলের হামলার স্বীকার কেন হচ্ছি, তবে এর সঠিক বিচার চাই।”

যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে কোচবিহারের তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম রায় জানান, “আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি তৃণমূল কংগ্রেস এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নেই। তবে ভাঙচুরের বিষয়টি সম্পর্কে আমরা আরও খোঁজ নিয়ে দেখব।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়