নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। ফাঁসির নিয়ম বদলের আবেদন ঘিরেই শুনানি হয়। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ রায় দেন। আপাতত ফাঁসির মাধ্যমেই সাজা কার্যকর হবে। তবে ভবিষ্যতে অন্য পদ্ধতি ভাবার সুযোগ রেখেছে আদালত।
মামলাটি করেছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ঋষি মলহোত্র। ২০১৭ সালে তিনি এই আবেদন দায়ের করেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি বদলই ছিল দাবির বিষয়। ফাঁসির বদলে কম যন্ত্রণাদায়ক উপায় চেয়েছিলেন তিনি। দণ্ডিতের কষ্ট কমানোই ছিল মূল উদ্দেশ্য। মৃত্যুর সময় মর্যাদা বজায় রাখার কথাও বলেন মলহোত্র। প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন, গুলি কিংবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করার প্রস্তাব দেন। গ্যাস চেম্বারের বিকল্পের কথাও আবেদনে ছিল।শুনানিতে ফাঁসির পদ্ধতি নিয়েও যুক্তি ওঠে।
মলহোত্রের দাবি ছিল, এতে দীর্ঘ যন্ত্রণা হতে পারে। প্রায় ৪০ মিনিট পর্যন্ত প্রক্রিয়া চলতে পারে। প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশনে সময় কম লাগবে বলে সওয়াল হয়। গুলি চালিয়েও দ্রুত মৃত্যু সম্ভব বলে জানানো হয়। তাই বিকল্প ব্যবস্থার পক্ষেই যুক্তি দেখানো হয়েছিল। দণ্ডিতকে পদ্ধতি বেছে নেওয়ার সুযোগের কথাও ওঠে। তবে মঙ্গলবার আবেদনটি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। বিচারপতি নাথ ও মেহতার বেঞ্চ রায় দেয়। আগের সিদ্ধান্তগুলি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন দেখেনি আদালত।
১৯৮৩ সালের 'দীন' মামলার রায়ও আলোচনায় আসে। সেই মামলায় ফাঁসির সাংবিধানিক বৈধতা বহাল ছিল। বৃহত্তর বেঞ্চে বিষয়টি পাঠানোর দাবিও মানা হয়নি। ফলে আপাতত প্রচলিত নিয়মেই সাজা কার্যকর হবে। তবে বিকল্প ব্যবস্থার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়নি আদালত। নতুন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যও গুরুত্ব পেতে পারে। কেন্দ্র চাইলে বিষয়টি আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে পারে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করা সম্ভব।
সেই কমিটি বিকল্প পদ্ধতিগুলি পর্যালোচনা করতে পারে। যন্ত্রণার মাত্রা কমানোই হবে মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে দণ্ডিতের মর্যাদাও বজায় রাখতে হবে। এর আগে ২০২৩ সালেও বিষয়টি উঠেছিল। তখন বিশেষজ্ঞ কমিটির সম্ভাবনা জানিয়েছিল কেন্দ্র। বিকল্প পদ্ধতি খতিয়ে দেখার কথাও বলা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রসঙ্গটি ফের সামনে আসে। সেই সময় বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। কেন্দ্রের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। এবারও বিচারপতিরা দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেননি। নতুন প্রমাণ এলে বিষয়টি ফের বিবেচিত হতে পারে।
ফলে আপাতত ফাঁসিই বহাল থাকছে দেশে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নিয়মে এখনই বদল হচ্ছে না। তবে বিকল্প ব্যবস্থার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কেন্দ্র চাইলে সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েও এগোনো সম্ভব। নজর এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপে।
৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়-সহ ৪০০ কৈলাসযাত্রী
দল ভাঙলেও মেঘালয়ে এখনও বিরোধী তকমা, উপনির্বাচনে প্রার্থীও দিতে পারেনি তৃণমূল
লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা বাসের, নিহতদের মধ্যে ৫ জন মহিলা
PIMS হাসপাতালের নার্সারিতে আগুন, ১৬ শিশুর মধ্যে মাত্র ১ জনকে জীবিত উদ্ধার
১৫ দিনে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে দাম, বিদেশ থেকে চিনি আনার অনুমতিও কেন্দ্রের
১৮টি উড়ান বাতিল, ১৬৬টি বিমান ওঠানামায় দেরি, দিল্লি-এনসিআরে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা
ট্রেনের চাদর নিয়ে এমন বেপরোয়া আচরণে নেটদুনিয়ায় শুরু সমালোচনা
লোকসভার সঙ্গেই ভোটের পথে ২২ রাজ্য, এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলিতে বড় বদলের জল্পনা
পরিবারের গৃহকর্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে গ্যাসের টাকা! বছরে ৩ সিলিন্ডার ফ্রি বিজয়ের রাজ্যে
বিয়ের ৪ মাসের মধ্যেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ
মানুষ পাঠানোর আগে একের পর এক পরীক্ষা, গগনযান ঘিরে বড় ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের