নিজস্ব প্রতিনিধি , পুরুলিয়া - “এই লড়াই শেষ লড়াই। সবাই মিলে একসাথে লড়াই না করলে এবাংলা আর বাংলা থাকবে না।” আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াতে ফের আক্রমণের সুরে বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কাশিপুর তরুণ সংঘ লাইব্রেরিতে কাশিপুর ও পাড়া বিধানসভার মন্ডল সভাপতি ও বুথ সভাপতিদের নিয়ে সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।বিরোধী দলগুলির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “যদি সত্যি তৃণমূলকে হারাতে চান, সবাই এক ছাতার নিচে আসুন, একসাথে লড়বো।”

অভয়া ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মিঠুন অভিযোগ করেন, “আমরা অভয়াকে ভুলে যাচ্ছি, অন্যদিকে ঘুরে যাচ্ছি। একটা পরিবারের একটা সন্তান চলে গেল, অথচ কারও ভ্রুক্ষেপ নেই। যতক্ষণ না এটার একটা বিচার হয়, এটাকে জাগিয়ে রাখতেই হবে।” শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “যদি আপনারা এতই শক্তিশালী হন, তাহলে ভয় পেয়ে হামলা করছেন কেন? শাসক দল নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও ভয় পাচ্ছে।”
তিনি দাবি করেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জেলার ৯টি আসনই জিতবে বিজেপি। ভোটার তালিকায় একাধিক নাম থাকার অভিযোগ তুলে বলেন, “আপনার ভোট দেওয়ার অধিকার এক জায়গায়, কিন্তু যদি তিন জায়গায় ভোট দেন, সেটা অস্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়।এর জন্যই এসআইআর হবে।”
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর