নিজস্ব প্রতিনিধি , ভুবনেশ্বর - কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর ইস্তফার পর কেটে গিয়েছে প্রায় দু'সপ্তাহ। কেন তিনি সরে দাঁড়ালেন, তা নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। অবশেষে শনিবার মুখ খুললেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি কলেজে অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত নিট পরীক্ষার অনিয়ম ঘিরে। উঠেছিল প্রশ্নফাঁসের অভিযোগও। দাবি, এরপরই সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। সেই সময় যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলছিল। পথে নেমেছিলেন বহু পড়ুয়া। অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুকও। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছিল। জানা গেছে, এমন আবহেই পদত্যাগের ইচ্ছা জানান ধর্মেন্দ্র। সরকারের কাছে আবেদনও করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথম দফায় তা গ্রহণ হয়নি।
এরপর আসে ২০ জুলাই। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। একাধিক ইস্যুতে সংসদ অভিযান হয়। 'ককরোচ জনতা পার্টি' ছিল সেই মিছিলে। সঙ্গে ছিলেন বেশ কিছু পড়ুয়াও। কর্মসূচির পর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বসে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন একাধিক মন্ত্রী। নিজের ইচ্ছার কথা ফের জানান ধর্মেন্দ্র। এবারও মেলেনি অনুমোদন। তাঁকে পদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সরকারের অবস্থান ছিল স্পষ্ট। সংকটে দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়া উচিত নয়। বরং পদে থেকেই মোকাবিলা করতে হবে।
শেষ পর্যন্ত ২৫ জুলাই সকাল আসে। সেদিনই ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। পরে সমাজমাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্ত জানান। দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বলেন তিনি। দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন। দায়িত্ব থেকে কখনও পিছিয়ে যাননি, দাবি তাঁর। প্রথম দিন থেকেই নিট-এর দায় নিয়েছেন। কোনও সময় মুখ লুকোননি বলেও জানান তিনি।
শনিবারের অনুষ্ঠানেও তরুণদের প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর কথায়, বর্তমান প্রজন্ম আমাদেরই সন্তান। তাঁদের ভবিষ্যৎ দেশের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত। ধর্মেন্দ্র আরও একটি হিসাব দেন। প্রতিবছর প্রায় দুই কোটি শিশুর জন্ম হয়। গত দশকে সংখ্যাটি প্রায় ২০ কোটি। প্রত্যেকের রয়েছে নিজস্ব স্বপ্ন। রয়েছে নানা প্রত্যাশাও। এই প্রজন্মই ভারতকে এগিয়ে নেবে। বিশ্বমঞ্চে দেশের জায়গা আরও শক্ত করবে।
ধর্মেন্দ্র আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। সেখানেই ইস্তফার ইচ্ছা জানান। মন্ত্রিসভা ছাড়তে চেয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। তাঁর বক্তব্যে অন্য ছবিও স্পষ্ট। শিক্ষামন্ত্রীর পদকে ব্যক্তিগত সাফল্য ভাবেননি তিনি। দায়িত্ব পালনই ছিল তাঁর কাছে বড়। শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারেও জোর দিয়েছেন তিনি। নিট বিতর্ক তখন তীব্র। পড়ুয়াদের আন্দোলনও চলছিল। সরকারের উপর চাপও বাড়ছিল। সেই আবহেই শেষ হয় তাঁর অধ্যায়।
তরুণদের নিয়ে ফের কথা বলেন ধর্মেন্দ্র। বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই। তবে কিছু মানুষ তাঁদের বিভ্রান্ত করছেন। এমনটাই মনে করেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর মতে, তরুণদের শক্তি অপরিসীম। তাঁদের সম্ভাবনাও অস্বীকার করা যায় না। দেশের ভবিষ্যৎ তাঁদের হাতেই। সেই কথাই অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন ধর্মেন্দ্র।
সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য, মহিলা কর্মীকে আটক করে তদন্তে পুলিশ
বাসবরাজ রায়ারেড্ডির মন্তব্য ঘিরে সরব গেরুয়া শিবির, পদত্যাগ অথবা ক্ষমা চাওয়ার দাবি
সিকিমে রেল যোগাযোগ তৈরির প্রকল্প ঘিরে ফের তৎপরতা, মেল্লি-ডেন্টাম নিয়েও আর্জি
ময়নাতদন্তে জানা গেল, মৃত্যুর সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, ঘটনাকে ঘিরে আরও ঘনীভূত রহস্য
উত্তমের পাশপাশি সত্যজিৎ রায়ের কথাও বলেন মোদি
২ দিন পর মায়ের কাছে ফিরল ৮ বছরের শিশু
এমসিএ-র ৫ রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেনশনে আদালতের আপত্তি, নিয়মের ফাঁসে আটকে থাকার প্রশ্ন
চার দিনের বিদেশ সফরে মধ্য এশিয়ায় কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্য
আন্দোলন নিয়ে মোদির মত কী, স্পষ্ট করার দাবি দীপকের, বৈঠক ঘিরে সরব আপও
কান্না শুনে ছুটে এলেন স্থানীয়রা
নিজের হাতে স্কুল চত্বর ঝাড়ু দেন প্রধান শিক্ষকও
খাড়গের সভাস্থল শুদ্ধিকরণ নিয়ে সরব রাহুল, ২০ দিন পর দলিত অপমানের বিচার দাবি
নেপাল থেকে ফিরলেন ২১ তামিল পর্যটক, চোখের সামনে ভেসে গেল দু’টি বাস! বর্ণনায় শিউরে উঠবেন
গ্যাসের দাম বাড়তেই বাড়ল পরিবহণ খরচ
এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের