নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - একসঙ্গে জোড়া পরীক্ষা। একদিকে মাধ্যমিক , অন্যদিকে চোখের সামনে বাবার নিথর দেহ। ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারেন বাবা নেই। উঠোনে চিরতরে শুয়ে রয়েছে বাবা। সেই শোক নিয়েই মাধ্যমিক দিতে গেলেন এক ছাত্রী। বুক ভরা কষ্ট সহ কান্না চেপে পরীক্ষা কেন্দ্রে গেলেন ওই ছাত্রী। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার-সহ গোটা এলাকাজুড়ে।
সূত্রের খবর , মৃত বাবার নাম বাদলচন্দ্র কর। পরীক্ষায় যাওয়ার আগে বাবার মৃতদেহের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই ছাত্রী। ঠিক তখনই বাড়ির বড়রা তাকে মাধ্যমিকের গুরুত্ব বোঝান। তাকে বোঝান , এই পরীক্ষা আগামী ভবিষ্যতের জন্য অনেকটা দামী। তাই বাবার কথা ভেবে যেন ও এই পরীক্ষায় বসে। শেষ পর্যন্ত বাবাকে ঘরে রেখে, চোখের জল মুছেই সে রওনা দেয় পরীক্ষা কেন্দ্রে। মোটরবাইকে করে তাকে নিয়ে যান জামাইবাবু অনুপ আদক। মধুমিতা পরীক্ষা দিতে ঢোকার পরই শুরু হয় বাবার শেষকৃত্য।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বাদলচন্দ্র ধর। বয়স আনুমানিক ৭০। সুগার, কিডনির সমস্যা, তার উপর পায়ে চোট—সব মিলিয়ে শরীর একেবারে ভেঙে পড়েছিল। রবিবার রাতেই বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভোরে ছুটে আসেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে মধুমিতার স্কুল সারতা তারকানাথ ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক অজয় বর্মন নিজে এসে হাজির হন তার বাড়িতে। এরপর মধূমিতাকে সাহস যোগান।

এরপর শিক্ষকও ছাত্রীকে ভবিষ্যতের কথা বোঝান। পরিবারের সকলেই শোকগ্রস্ত অবস্থায় শিক্ষকের কথায় সঙ্গ দেন। ধীরে ধীরে সকলের কথায় শক্ত হয়ে ওঠেন। শিক্ষকরাও বিশেষভাবে নজর রাখেন ছাত্রীর দিকে। পরীক্ষা শুরুর আগে পাশে গিয়ে কথা বলে মানসিক জোর দেন।
শোকাহত মধুমিতা বলেন , "এইভাবে বাবাকে ছেড়ে আসতে হবে ভাবিনি। ভগবান আমায় এমন শাস্তি দেবে ভাবিনি। এতটা কষ্ট হচ্ছিল যে বলে বোঝাতে পারব না। কিন্তু সকলে আমাকে অনেক ভরসা দেয়। পরীক্ষা ভাল হয়েছে। বাকি পরীক্ষাতেও বসব। বাবার কথা ভেবে আমাকে শক্ত হতেই হবে।"
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ
লোকালয়ে প্রবেশ করতেই সাধারণ মানুষের তাড়া খেয়ে আরও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে বিশালাকার দাঁতালটি
আহতরা গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ঘটনায় রীতিমত অবাক কুলপির বিডিও সুভাষ গুপ্তা
হাওয়ালা যোগসূত্র খুঁজতে ৯ জায়গায় ইডি তল্লাশি
মানবিক উদ্যোগের পর বিপুল প্রশংসা পেয়েছেন পুলিশ আধিকারিক
ভোটের ময়দানে জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি পরিযায়ী শ্রমিকের
যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি
এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ
৮ তারিখ শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল বৃদ্ধাকে
সোমবার থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের
তাঁর এই উদ্যোগ সমাজের কাছে এক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা