নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - আধার বিভ্রাট। দুই বোনের আধার কার্ড এক হওয়ায় বিরাট ফ্যাসাদে পড়েছে গোটা পরিবার। দু'জনের জন্মের তারিখ আলাদা ৷ বয়সের ব্যবধান দু'বছরের। তবুও এই সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় সরকারি প্রকল্পগুলি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দুজনেই। আজ অবধি এই সমস্যা মেটেনি তাদের।
সূত্রের খবর , ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি ব্লকের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বিজলী পরিবারের ৷ গত সাত বছর ধরে সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত দুই বোন জয়শ্রী বিজলী ও বনশ্রী বিজলী ৷ রত্নাকর বিজলীর তিন মেয়ে ৷ জয়শ্রী বড় ও বনশ্রী মেজো মেয়ে ৷ জয়শ্রীর বিয়ে হয়ে গিয়েছে ৷ বনশ্রী এখনও ছাত্রী।২০১৩ সালে বনশ্রীর আধার কার্ড তৈরি করা হয়েছিল ৷ এরপর ২০১৭ সালে তার দিদি জয়শ্রীর আধার কার্ড তৈরি করা হয় ৷ জয়শ্রীর আধার কার্ড তৈরি করার পর থেকেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে ৷ দেখা যায় দুজনের মধ্যেই কার্ডেই এক নম্বর।
উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেও কলেজে ভর্তি হতে পারেননি বনশ্রী৷ এখনও পর্যন্ত সে কন্যাশ্রী প্রকল্পেরও টাকাও পায়নি ৷ রেশনও তাঁর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ৷ কোভিডের সময় পরিবারের বাকি সকলে ভ্যাকসিন পেলেও আধার কার্ডের সমস্যার জেরে সেটাও পাননি তিনি। আধার কার্ড সংশোধনের জন্য ঘোরাঘুরি করেও কোনো সুরাহা হয়নি।

ঘটনা প্রসঙ্গে বাবা রত্নাকর বিজলী বলেন , "দীর্ঘ সাত বছর ধরে দুই মেয়ের আধার কার্ডের এই সমস্যা নিয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছি ৷ আধার কার্ড সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দফতরে গিয়েছি ৷ এমনকী কলকাতার আধার কার্ডের অফিসে গিয়েছি ৷ আধার কার্ড সংশোধনের জন্য এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে ৷ তবে কাজের কাজ হয়নি। দিনমজুরের কাজের টাকায় সংসার চলে আমাদের। কিভাবে সমাধান হবে কিছুই বুজতে পারছিনা।"

কুলপির বিডিও সুভাষ গুপ্তা আশ্বাস দিয়েছেন , "এই প্রথম এমন ঘটনার কথা শুনলাম ৷ একই আধার নম্বর নিয়ে আমার কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি। এটা বিরল ব্যাপার ৷ কারণ, আধার কার্ড যাচাইয়ের জন্য আলাদা বিভাগ রয়েছে ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আধার কার্ড করা হয় ৷ বেশিরভাগ প্রক্রিয়াটাই অনলাইনে সম্পন্ন হয় ৷ পুরোটাই বায়োমেট্রিক দিয়ে আধার কার্ড করতে হয় ৷ এরপরেও দু'জন মেয়ের নামে একই আধার নম্বর কী করে ইস্যু হল, সেটা বোঝা খুব কঠিন ৷ তবে যদি তাঁরা আমাদের কাছে আসেন, আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব সমস্যার সমাধান করার।"
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়