নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - দশমীর সকাল থেকেই পূজার আবহ। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে হাজারো মানুষ ভিড় জমিয়েছিল রাজবাড়ির নাটমন্দিরে। শেষ হলো শতাব্দী প্রাচীন রাজরাজেশ্বরীর আরাধনা। দেবীকে বরণ করার পর শুরু হয় সিঁদুর খেলা। উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ির বর্তমান রাণীমা অমৃতা রায়।

সূত্রের খবর, নদীয়ার কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে শতাব্দী প্রাচীন দশমীর আচার শেষ হলো বৃহস্পতিবার। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল দেবী রাজরাজেশ্বরীর শেষ আরাধনা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকলেও মানুষের ভিড় কমেনি। নাটমন্দিরে তখন ভক্তদের ঢল, ঢাকের শব্দে মুখরিত চারপাশ, আর পূজার মন্ত্রপাঠে ভরে ওঠে পরিবেশ।

রাজবাড়ির প্রাচীন রীতি মেনে দেবীকে আরাধনা করার পর শুরু হয় বরণ। একে একে গৃহবধূরা এগিয়ে এসে দেবীর কপালে সিঁদুর দিয়ে উমাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নেন। আর সেই মুহূর্তেই প্রত্যেক বছরের মতো এবছরও সিঁদুর খেলায় যোগ দিলেন বর্তমান রানীমা অমৃতা রায়। হাতে সিঁদুর, চোখে জল। বিদায়ের আচার যেন হয়ে উঠল এক আবেগের প্রতীক।

এই পুজোর ইতিহাস শতাব্দী প্রাচীন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রই প্রথম শক্তির আরাধনাকে সামনে রেখে রাজরাজেশ্বরীর পূজা শুরু করেছিলেন। অনেকেই তাঁর এই শক্তি আরাধনাকে বিদ্রুপ করলেও তিনি বিশ্বাস করতেন, দেবীই প্রজাদের মঙ্গল রক্ষা করবেন। সেই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছিল এই রাজপুজো, যা এখনও উত্তরসূরিদের হাতে বেঁচে আছে। একসময় এই পুজো দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজারাও হাজির হতেন কৃষ্ণনগরের রাজবাড়িতে।

বর্তমান সময়ে আর্থিক সঙ্কট ও পারিবারিক টানাপোড়েনের মধ্যে থেকেও এই রীতি ধরে রেখেছেন রাণীমা অমৃতা রায়। স্বামীর অসুস্থতা আর একমাত্র পুত্রকে নিয়ে তাঁর ভরসার অবলম্বন সীমিত হলেও, প্রতিবছর পুজোর পাঁচটা দিন তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখেন দেবীর সেবায়।রাজবাড়ির আঙিনায় সিঁদুর খেলার রঙে ভিজলেও তাঁর চোখের জলে ধরা পড়ে মায়ের বিদায়ের বেদনা।

আজ দশমীর দিনে শেষ আরাধনার পর নাটমন্দিরে দেবীকে বরণ করেন রাণীমা । এরপর গৃহবধূদের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেও, বিদায়ের মুহূর্তে আবারও ছড়িয়ে পড়ে হারানোর বেদনা। সিঁদুরের লাল রঙের মাঝে যেন মিশে যায় আবারও এক বছরের প্রতীক্ষা, মায়ের আগমনের আশায়।

দশমীর দিনে রাজবাড়ির রাণীমা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “ আজ মা কৈলাসে ফিরে যাচ্ছেন, আবার এক বছরের অপেক্ষা। এই ৫ টা দিনের বেশি মাকে ধরে রাখার ক্ষমতা আমার নেই। আমার একটাই প্রার্থনা, মা সকলের মঙ্গল করুন, দেশের মঙ্গল করুন।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর