নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - দীর্ঘ চার বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের মিললো ফল। নিট পরীক্ষায় সফল হয়ে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যে কোচবিহার জেলার জামালদহের শীর্ষলেন্দু রায়। চিকিৎসক হওয়ার পর গ্রামবাসীদের সেবা করাই একমাত্র লক্ষ্য। তার এতো বড়ো সাফল্যের আনন্দে আত্মহারা তার পুরো পরিবার।
সূত্রের খবর , শীর্ষেলেন্দুর বাবা সুশীল চন্দ্র রায় পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী। মা কবিতা রায় গৃহকর্ত্রী। দিদি সম্প্রতি আইসিডিএসে চাকরি পেয়েছেন, ছোট বোন জহর নবোদয় বিদ্যালয়ে উচ্চমাধ্যমিক দেবেন। ২০২১ সালে বিহারের নালন্দা জহর নবোদয় বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন শীর্ষেলেন্দু। এরপর থেকেই শুরু করেন নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি। অবশেষে ২০২৫ সালে তিনি নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি কোচবিহার এম.জে.এন মেডিকেল কলেজে ট্রেনিং পিরিয়ডে রয়েছেন।
সফলতার আনন্দে শীর্ষেলেন্দু জানায় ," ডাক্তার হয়ে আমি নিজের গ্রামের গরিব ও দুঃস্থ মানুষদের বিনে পয়সায় চিকিৎসা দিতে চাই। এটাই আমার জীবনের লক্ষ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জীবনের প্রতি সমান লক্ষ্য রেখে এগিয়ে যেতে হবে ।”
শীর্ষেলেন্দুর সাফল্যে তার বাবা সুশীলচন্দ্র জানিয়েছেন ," ছেলে সারা বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে পড়াশুনা করেছে। নিজের চেষ্টায় এই জায়গায় এসেছে। আমি ভীষণ গর্বিত ওর সাফল্যে। মানুষের সেবায় নিয়োজিত হোক, মানুষের আশীর্বাদ প্রাপ্ত করুক এটাই চাই ।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়