নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলি- একই পাড়ায় ঘুরে ফিরে সেই চুরি। উত্তরপাড়া থানার এলাকায় ফের চুরির ঘটনা। হিন্দমোটরের সাঁতারু বুলা চৌধুরীর বাড়ি থেকে পদক চুরির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার চোরের হাত পড়ল কোন্নগরে নাট্যশিল্পীর ভাইয়ের বাড়িতে। টানা একাধিক চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে স্থানীয়দের মধ্যে।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে কোন্নগর পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে, মাস্টারপাড়ায়। সেখানকার বাসিন্দা নাট্যশিল্পী অভিরূপ গুপ্ত। তাঁর মেজো ভাই অভিজিৎ গুপ্তর প্রয়াণের পর, ভাইয়ের স্ত্রী শিপ্রা গুপ্ত ওই বাড়িতে বর্তমানে থাকেন। সম্প্রতি নাতনি হওয়ায় তিনি ব্যারাকপুরে মেয়ের বাড়ি গিয়েছিলেন। ফলে বাড়ি ফাঁকা ছিল। পরিবারের অনুমান যে বা যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তারা বাড়ির অন্দরমহল সম্পর্কে আগাগড়া পরিচিত।
বাড়ির বড় ছেলে অভিরূপ গুপ্ত জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধের দিকে বাড়ির পিছনের গেটের তালা ভেঙে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। এরপর ঘরের আলমারির চাবি ব্যবহার করে ভেতরে থাকা সোনার গহনা, নগদ টাকা এবং মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। সোমবার সন্ধের পর প্রতিবেশীদের নজরে আসে চুরির ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় উত্তরপাড়া থানায়। পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করে।

তিনি আরও জানান, “আলমারি ভাঙা হয়নি। একেবারে চাবি ব্যবহার করেই খোলা হয়েছে। ঘরে কোথায় কী আছে, সেটা সে জানত। তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস পরিচিত কেউ এর সঙ্গে জড়িত।” তাঁর দাবি, বুলা চৌধুরীর বাড়িতে যেভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পুলিশ চুরি উদ্ধার করেছে, তেমনই এ ঘটনারও কিনারা করবে বলে আশা রাখি।”
প্রতিবেশী অর্ণব দাস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। উত্তরপাড়ায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। বাড়িতে তালা মেরে কোথাও যাওয়া যাচ্ছে না।তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোন্নগরের মাস্টারপাড়ার মতো শিক্ষিত একটি এলাকায় দিনের পর দিন কিকরে এতগুলো চুরির ঘটনা ঘটতে পারে?অবিলম্বে পাড়ার প্রত্যেকটি জায়গায় সিসিটিভি বসানোর ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকে। পুলিশকে সক্রিয় হতে হবে।”
ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ চক্রবর্তী বলেন, “পুলিশ এবং পরিবারের অনুমান, পরিচিত কারও হাত রয়েছে এই ঘটনার পেছনে। একজনকে পুলিশ আটক করেছে বলে শুনেছি। তবে এলাকায় সিসি ক্যামেরা না থাকায় চোর ধরতে অসুবিধা হচ্ছে। গত এক বছরে কোন্নগরে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো না ঘটলেই ভালো হতো। তাই পুলিশের নজরদারি বাড়াতে হবে।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়