নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - দুর্গাপুজো মানেই ঐতিহ্যের জাঁকজমক আর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। তার মধ্যেই বনেদি রাজবাড়ির পুজো নিয়ে চিরকালই কৌতূহল থাকে আলাদা। সেই বনেদি পুজো নিয়েই হঠাৎ করে টানটান উত্তেজনা বাঁকুড়ার ছাতনায়। রাজবাড়ির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তার ঘনঘটা। তাহলে কি বন্ধ হয়ে যাবে ৬০০ বছরের পুরনো সামন্তভূমের ঐতিহ্যবাহী পুজো? সকাল থেকেই ভিড় জমে রাজবাড়ির আঙিনায়, একটাই প্রশ্ন সবার মনে, চলবে তো এ বছরের পুজো?

স্থানীয় সূত্রে খবর, সম্প্রতি রাজবাড়ির রানীমার প্রয়াণের পর থেকেই শুরু হয় বিভাজন। মদনমোহনের মূর্তি সহ প্রায় ৩০টি মূর্তি কার কাছে থাকবে, এই প্রশ্নেই জট বাঁধে। এতদিন পর্যন্ত বাসুলি মন্দিরে পুজো চালিয়ে আসছিলেন প্রদীপ সিংহ দেও। কিন্তু ছাতনা রাজবাড়ির ১২ পরগনা নিয়ে রয়েছে পৃথক দাবিদাওয়া। ফলে রাজপরিবারের ভেতরে ফাটল আরও গভীর হয়। এলাকার পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে আসে স্থানীয় প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতি। ১২ পরগনার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার চেষ্টা হয়। অবশেষে সিদ্ধান্ত হয় যে, প্রাচীন নিয়ম মেনেই রাজবাড়ির দুর্গাপুজো চলবে। এতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন পুজোপ্রেমীরা।

রাজবাড়ির বর্তমান বংশধর হরিদেব সিংহ রায় জানান, রাজবাড়ীর বর্তমান বংশধর হরিদেব সিংহ রায় জানান, মদনমোহন সালংগ্রাম শিলা সহ প্রায় ৩০টি বিগ্রহ তাঁর দায়িত্বে রয়েছে। রানীমার মৃত্যুর পর বংশগত অধিকার অনুযায়ী তিনি মন্দিরের চাবি নিজের কাছে রেখেছিলেন। তবে ওবাড়ির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মন্দির তাদের নামে হওয়ায় তাঁর অধিকার নেই। এই নিয়ে অশান্তি তৈরি হলে গ্রামের প্রায় ২০০-২৫০ জন মানুষ এগিয়ে এসে সমাধান করেন এবং মূর্তিগুলি হরিদেববাবুর দায়িত্বে দিয়ে যান।

তিনি বলেন, “মূর্তি নিয়ে যেমন সমস্যা হয়েছে, তেমন ঝামেলা দুর্গাপুজো নিয়েও হতে পারে ভেবেই আতঙ্কে ছিলাম। তাই মিটিং ডেকেছিলাম। তবে দুর্গাপুজো যথারীতি হবে।” পাশাপাশি তিনি আরও জানান, বিপুল পরিমাণ অর্থমূল্যের বিষয় থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হচ্ছে, কারণ বর্তমানে তাঁদের বংশের কেউ ওই বাড়িতে থাকেন না।
ঘটনা প্রসঙ্গে রানীমার ভাইপো শান্তিদেব রায় জানান, আশালতা দেবী অর্থাৎ রানীমার মৃত্যুর পর এবাড়ির মদনমোহন সহ ২০ টি বিগ্রহ নিয়ে সমস্যা শুরু হয়।আজকে সামন্তভূমের সভাপতিদের একক সিধান্তে আমাদের সম্পর্কে পিসেমশাই অর্থাৎ ওবাড়ির হরিদেব সিংহ রায়ের বাড়িতে মূর্তিগুলি স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে মূর্তি স্থাপন নিয়ে যা বিবাদ দেখা দিয়েছিলো তা সমাধান করা গিয়েছে।

রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর