নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব মেদিনীপুর - বাংলায় ফের পুলিশ কর্মীর উপর আক্রমণ। এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের চারপাশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসা যথাযথভাবে করা হয়নি। এই ঘটনায় জনতা রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যেখানে একজন দায়িত্ববান পুলিশকর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা মহকুমায় মঙ্গলবার সকালে ঘটে এই ধুন্দুমার কাণ্ড। বেলা বাড়তেই অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশুকে পরিবার হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরিবার দাবি করে চিকিৎসকরা যথাযথ দ্রুততা দেখায়নি , ফলে শিশুটি সম্পূর্ণ অবহেলার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। ঘটনায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়। স্বাভাবিকভাবেই শিশুটির পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলে। হাসপাতালের সামনে ক্ষিপ্ত জনতা প্রবল বিক্ষোভে জড়িয়ে পড়ে।

ওই মহকুমা হাসপাতাল থেকে এগরা থানার দূরত্ব ছিল মাত্র দু কিলোমিটার।বিক্ষোভ থামাতে এগরার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশের কর্তব্যরত এক কর্মী জনতাকে থামাতে গেলে, ঠিক তখনই তাঁকে ঘিরে ধরে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়, চলে পরপর থাপ্পড় এমনকি তাঁর উর্দি টেনে ছিঁড়ে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে দাবি, অভিযোগ ও চিৎকার হুড়োহুড়ি বাড়তে থাকে। অনেকেই হাসপাতালে থাকা ডাক্তার ও নার্সদের দোষারোপ শুরু করেন। জনতা ক্রমেই উত্তেজিত হয় এবং তা বিক্ষোভের রূপ নেয়। পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পলাতক কোনও অভিযুক্ত এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি, পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। ঘটনায় স্থানীয় ও রাজ্য পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে, এমন ঘটনা কেন বারবার ঘটছে? পুলিশের সুনাম, জনসচেতনতা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা , সবই আলোচ্যবস্তুর মধ্যে এসেছে।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “উর্দি আক্রান্ত হচ্ছে কারণ, ওরা সম্মান রাখতে পারেনি। তবে আমার উর্দি আক্রান্ত হয়েছে, এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শিশুমৃত্যু। এ রাজ্যে বেঁচে থাকাটা কঠিন। কী কারণে এমন ঘটল সেই বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর