নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব বর্ধমান - একসময় যে গ্রামে পা রাখলেই কানে ভেসে আসত তাঁত বোনার ‘ঘটাং-ঘটাং’ শব্দ। শব্দেই যার পরিচিতি ছিল ‘তাঁতীপাড়া’। সময়ের সঙ্গে সেই ছন্দ আজ প্রায় নিঃশব্দ। বৈকুণ্ঠপুর দু’নম্বর পঞ্চায়েতের অধীন নান্দুর গ্রামে এখন নীরবতা যেন নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , একসময় এই গ্রামে একাধিক পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁত বুননের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সকাল থেকে রাত, সারাক্ষণ তাঁতের শব্দে মুখর থাকত এলাকা। কিন্তু আজ বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে মাত্র একটি গুই পরিবার প্রাচীন শিল্পকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তাও আর পুরোপুরি ঐতিহ্যবাহী তাঁত বুনন নয়।

তাঁত শিল্পে টিকে থাকতে গেলে সুতোসহ বিভিন্ন কাঁচামালের ধারাবাহিক সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। ক্রমে লাভের অভাব, কাঁচামালের সংকট, বাজার অনিশ্চয়তা, দীর্ঘদিনের আর্থিক অনটনের কারণে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য কাজের দিকে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ফলে একসময়ের প্রাণবন্ত শিল্প এখন সংকটে।
নান্দুর গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা জানান, 'একসময় এই গ্রামের পরিচিতিতে বাংলার তাঁত শিল্পের প্রতিফলন চোখে পড়ত। এখন সরকারি সহায়তা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবে শুধু নান্দুর নয়, গোটা এলাকাজুড়েই ধুঁকছে প্রাচীন শিল্প। দ্রুত উদ্যোগ না নিলে শেষ তাঁতি পরিবারটিও একদিন এই পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে। সঙ্গে হারিয়ে যাবে বাংলার এক প্রাচীন শিল্পের মূল্যবান অধ্যায়'।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর