নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - মহিলাদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিজেপির সভা, অথচ সেই সভাতেই দলের মহিলা কর্মীদের প্রতি চরম অসম্মানের অভিযোগ! সভা শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মীরা। চোখের জল ফেলতে ফেলতে তারা জানালেন , “ দলে মহিলাদের কোনো সম্মান নেই!”

সূত্রের খবর , মঙ্গলবার চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিজেপির প্রতিবাদ সভা। প্রধান বক্তা ছিলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। সাংসদের সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন মহিলা কর্মীরা। কিন্তু অভিযোগ, তাদের বক্তব্যে কান না দিয়েই সভাস্থল ত্যাগ করেন সাংসদ। এরপরই প্রকাশ্যে আসে বিজেপির জেলা স্তরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

মহিলা মোর্চার নেত্রী সোনিয়া সামন্ত, কর্মী মিলি গুহঠাকুরতা, সবিতা মণ্ডল প্রমুখ জানান, “দলের সব কাজ আমরাই করি, সভার প্রচার থেকে শুরু করে লোক জড়ো করা , সব দায়িত্ব আমাদের কাঁধে। অথচ সভামঞ্চে আমাদের ডাকা হয় না। জেলা মহিলা মোর্চার সভানেত্রীকেও আজ দর্শক আসনে বসতে হয়েছে। এটি আমাদের গভীরভাবে অপমান করেছে।”

বিজেপি মহিলা কর্মীরা স্লোগান দেন , “সুরেশ সাউ দূর হটাও!” অভিযোগ, জেলা সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ-এর কারণেই মহিলা মোর্চার কর্মীরা বারবার অসম্মানিত হচ্ছেন। সংসার ফেলে রাজনীতিতে সময় দেন দিন রাত। তার প্রাপ্য কি এটাই? তাদের দাবি, “রাজ্য নেতৃত্ব ও কেন্দ্র যেন এই বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন।”

অন্যদিকে, সুরেশ সাউ নিজের পক্ষ থেকে বলেন, “মঞ্চ ছোট ছিল, সবাইকে জায়গা দেওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে যেন এ রকম না হয়, তা দেখব। কাউকে কষ্ট দিতে চাইনি। তবে তাদেরকেও এটা বুঝতে হবে যে মঞ্চে না উঠেও প্রতিবাদ করা যায়। এমন নয় যে দর্শকের আসনে বসলে সর্বোচ্চ স্তরে প্রতিবাদের কণ্ঠ পৌঁছায় না।” ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন।

এই ঘটনার নিন্দা করেছেন হুগলী শ্রীরামপুর সাংগঠনিক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মৌসুমী বসু চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, “একজন মহিলা হয়ে আমি বুঝি সম্মানের মূল্য কতটা। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে একজন মহিলা বলেই মহিলাদের সর্বাগ্রে রাখেন। আমরা গর্বিত যে আমরা তৃণমূল দলের সৈনিক। তবে অন্য দলেও মহিলাদের সম্মান দেওয়া উচিত, কারণ তারা মন থেকে দলের জন্য কাজ করেন। আজকের এই ঘটনা শুনে সত্যিই মর্মাহত।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়