নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - বিজেপির দ্বারা পরিচালিত ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা। মালদহের রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েতের অফিসের কিছুটা দূরে আয়োজিত হওয়া এই বিক্ষোভ সভায় বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন শাসক ও বিরোধী দলের নেতারা। ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
সূত্রের খবর , রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের কাহালা অঞ্চলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে দশ দফা দাবীতে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজিত হয় মঙ্গলবার। সভার মূল বিষয় ছিল বিজেপি পরিচালিত কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের দূর্নীতি। এরপর দশ দফা দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে। শুরু করেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান টুম্পা হাতে ডেপুটেশন তুলে দেন। তখনই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তৃণমূলের কিছু প্রতিনিধির সঙ্গে বিজেপি নেতাদের বাকযুদ্ধ শুরু হয়। পরিস্থিতি হাতাহাতি অবধি যাওয়ার আগেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।
বিক্ষোভ সভায় উপস্থিত ছিলেন , জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, রতুয়ার তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখার্জি, রতুয়া-১নং ব্লক তৃণমূল সভাপতি অজয় সিনহা, জেলাপরিষদের মৎস ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ রিয়াজুল করিম বক্সী, তৃণমূলের ব্লক মহিলা সভানেত্রী রুকসানা পারভীন, তৃণমূল নেতা রাজেশ সিংহ, লালটু চৌধুরী সহ অন্যান্যরা।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে এক বক্তা জানিয়েছেন , "প্রায় ২০০০ লোক এই দশ দফা দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন করেছেন। একটা প্রতিনিধি দল আমাদের তরফ থেকে পাঠানো হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধানকে দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে তবে কোনরকম উত্তর পাওয়া যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে মানুষকে সুযোগ সুবিধে দিচ্ছেন। সেই জায়গায় রতুয়ার একটি ব্লক বিজেপি পরিচালিত হওয়ায় মানুষকে পুরো আত্মসাৎ করছেন। আমরা এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছি। বিজেপি পঞ্চায়েত প্রধানের হাতে ডেপুটেশন তুলে দিয়েছি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।"
ভোটের পর সব হিসাব হবে , হুঁশিয়ারি অভিষেকের
নির্বাচনের মুখে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ বেশ সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন