নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - বিক্ষোভ থামছেনা আশা কর্মীদের। বেতন বাড়ানোর দাবিতে গত এক সপ্তাহ ধরেই ফের ক্ষেপে উঠেছেন তারা। বুধবার বারাসাতে ফের পথে নামলেন আশা কর্মীরা। উদ্দেশ্য সেই একই , বেতন বাড়াতে হবে। এছাড়া আরও ৮ দফা দাবি নিয়ে জোট বেঁধে বিরাট মিছিল করেন আশা কর্মীরা।

সূত্রের খবর , বারাসাত জেলা পরিষদ জেলা শাসকের দফতর সামনে দিয়ে এসে বারাসাত চাপাডালি মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। আশা কর্মীদের স্থায়ীকরণ ও স্বাস্থ্য বীমা সহ একাধিক দাবি নিয়ে তারা বিক্ষোভে সামিল হন। ন্যূনতম ১৫০০০ টাকা বেতন করতে হবে বলে দাবি করেছেন তারা। সরকার তাদের দাবি না মানে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার হুমকিও দিয়েছেন তারা। বিক্ষোভ মিছিলের জেরে তীব্র যানজটের মুখে পড়ে সাধারণ মানুষ।

আশা কর্মীদের তরফে একজনের দাবি , "আগেও বলেছি এখনও বলব আমাদের বেতন বাড়াতে হবে। নির্দিষ্ট সময় নেই তবুও কাজ করে চলেছি। অন্যদিকে গর্ভবতী মহিলাদের বাড়তি দেখাশোনা করা। ইমারজেন্সি ডিউটি করতে বাধ্য করা হচ্ছে অথচ বেতন বাড়ানোর দাবি করলে সবাই চুপ করে থাকে। এটা রীতিমত অত্যাচার। আমাদের ৮ দফা দাবি মানতে হবে। নাহলে আমরা এরপর আরও বড় আন্দোলনে নামব। গত ২১শে জানুয়ারি পুলিশ আশা কর্মীদের গায়ে হাত তুলেছে। সেই বিষয়ের একটা সুরাহা করতে হবে। পুলিশের শাস্তি চাই।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়